নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ পদ্ম বাহিনী! দার্জিলিং পাহাড় থেকে সমতল শিলিগুড়ি সর্বত্র এমন অভিযোগ উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পাহাড়ে পার্মানেন্ট পলিটিক্যাল সল্যুশন (পিপিএস) ইস্যু নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব তাদের শরিক জিএনএলএফ। আর সমতলে পদ্মের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ পদ্ম শিবির ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রস্তাবগুলি ধরার চেষ্টা করছে। বিজেপি অবশ্য ব্যর্থতার অভিযোগ মানতে নারাজ। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে জোরচর্চা চলছে।
Advertisement
পাহাড়ের পিপিএস ইস্যু নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দাবি বহুদিনের। কয়েকমাস আগে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা’র সঙ্গে কথা বলেন দার্জিলিংয়ের এমপি রাজু বিস্তা। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, জানুয়ারির মধ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হবে। এখনও পর্যন্ত তা হয়নি। এনিয়েই ক্ষুব্ধ বিজেপির শরিক জিএনএলএফ। তাদের একাংশের অভিযোগ, পিপিএসের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ বিজেপিশাসিত কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিটি নির্বাচনে ভোট দেওয়া হলেও তারা গোর্খাদের স্বপ্ন পূরণ করছে না।
কয়েকদিন আগে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি পাঠান দার্জিলিংয়ের বিধায়ক তথা জিএনএলএফ নেতা নীরজ জিম্বা। তিনি বলেন, পাহাড়বাসী বারবার ভোট দিলেও পিপিএস নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনাই শুরু করতে পারেনি। এজন্য বিজেপির উপর আস্থা হারাচ্ছেন পাহাড়বাসী। আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।
বিজেপির পার্বত্য সাংগঠনিক জেলা কমিটির আহ্বায়ক কল্যাণ দেওয়ান অবশ্য বলেন, এখানে ব্যর্থতার কিছু নেই। গোর্খাদের দাবি ও সমস্যা সম্পর্কে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও কেন্দ্রীয় সরকার অবহিত। সময় মতোই তা পূরণ হবে বলে আশাবাদী।
এদিকে, সমতলে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিলিগুড়িকে পৃথক জেলা এবং আঠারোখাই ও বাগডোগরাকে নিয়ে পুরসভা গড়ার দাবি তুলেছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন। এনিয়ে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, একুশের নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে মোনো রেল চালানো, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। চার বছর অতিক্রম করলেও তারা একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করতে পারেনি। জনতাকে ভাঁওতা দিয়ে ভোট নিয়েছিল ওরা। এখন ছাবিশের নির্বাচনের আগে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মরিয়া। তাই ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রস্তাবগুলি সামনে এনে পদ্ম বাহিনী নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টা করছে। এতে এবার চিড়ে ভিজবে না।
বিজেপির মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক অবশ্য বলেন, বালাসন নদীতে সেতু তৈরির কাজ শেষ হয়েছে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হচ্ছে, বাগডোগরা বিমানবন্দর ও এনজেপি রেল স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। কাজেই ব্যর্থতার অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সমস্ত প্রতিশ্রুতিই পূরণ হবে।
কয়েকদিন আগে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি পাঠান দার্জিলিংয়ের বিধায়ক তথা জিএনএলএফ নেতা নীরজ জিম্বা। তিনি বলেন, পাহাড়বাসী বারবার ভোট দিলেও পিপিএস নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনাই শুরু করতে পারেনি। এজন্য বিজেপির উপর আস্থা হারাচ্ছেন পাহাড়বাসী। আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।
বিজেপির পার্বত্য সাংগঠনিক জেলা কমিটির আহ্বায়ক কল্যাণ দেওয়ান অবশ্য বলেন, এখানে ব্যর্থতার কিছু নেই। গোর্খাদের দাবি ও সমস্যা সম্পর্কে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও কেন্দ্রীয় সরকার অবহিত। সময় মতোই তা পূরণ হবে বলে আশাবাদী।
এদিকে, সমতলে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিলিগুড়িকে পৃথক জেলা এবং আঠারোখাই ও বাগডোগরাকে নিয়ে পুরসভা গড়ার দাবি তুলেছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন। এনিয়ে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, একুশের নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে মোনো রেল চালানো, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। চার বছর অতিক্রম করলেও তারা একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করতে পারেনি। জনতাকে ভাঁওতা দিয়ে ভোট নিয়েছিল ওরা। এখন ছাবিশের নির্বাচনের আগে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মরিয়া। তাই ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রস্তাবগুলি সামনে এনে পদ্ম বাহিনী নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টা করছে। এতে এবার চিড়ে ভিজবে না।
বিজেপির মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক অবশ্য বলেন, বালাসন নদীতে সেতু তৈরির কাজ শেষ হয়েছে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হচ্ছে, বাগডোগরা বিমানবন্দর ও এনজেপি রেল স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। কাজেই ব্যর্থতার অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সমস্ত প্রতিশ্রুতিই পূরণ হবে।



