দুবাই: তিনটি আইসিসি ট্রফি জিতেছেন বিরাট কোহলি। ২০১১ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ, ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও ২০২৩ সালে টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। এবার চার নম্বর আইসিসি ট্রফির হাতছানি ভিকে’র সামনে। রয়েছে একগাদা রেকর্ডের সম্ভাবনাও।
Advertisement
এখনও পর্যন্ত ২৯৭ একদিনের ম্যাচে বিরাটের ব্যাটে এসেছে ১৩ হাজার ৯৬৩ রান। ওডিআই ক্রিকেটে বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে ১৪ হাজার রানে পৌঁছতে তাঁর দরকার মাত্র ৩৭ রান। সার্বিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি করেছেন ২৭ হাজার ৩৮১ রান। এই তালিকায় শচীন তেন্ডুলকর (৩৪,৩৫৭), কুমার সঙ্গাকারা (২৮,০১৬), রিকি পন্টিংয়ের (২৭৪৮৩) পরেই বিরাট। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আর ১০৩ রান করলেই পন্টিংকে টপকে তিন নম্বরে উঠে আসবেন তিনি। আবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিরাট এখনও পর্যন্ত ১৩ ম্যাচে করেছেন ৫২৯ রান। এই আসরে সবচেয়ে বেশি রান ক্রিস গেইলের (৭৯১)। আর ২৬৩ রান করলে গেইলকে পিছনে ফেলবেন ভিকে।
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রতিযোগিতার দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছেন তিনি। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বিরাট বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হচ্ছে। আমি সবসময়ই এই প্রতিযোগিতা উপভোগ করি। কারণ, এই মঞ্চে ধারাবাহিকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যোগ্যতা অর্জনের জন্য সেরা আট দলের মধ্যে থাকা জরুরি। তাছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাও তীব্র।’
২০০৯, ২০১৩ ও ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলেছেন বিরাট। শেষবার তিনিই ছিলেন অধিনায়ক। ফাইনালে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। কোহলির মতে, এই প্রতিযোগিতায় যে চাপের মুখে পড়তে হয় দলগুলিকে তার সঙ্গে তুলনা করা যায় টি-২০ বিশ্বকাপের। তাঁর কথায়, ‘লিগে তিন-চারটির বেশি ম্যাচ থাকে না। তাই শুরুটা ভালো না হলে মারাত্মক চাপ হয়ে যায়। সেজন্যই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে পছন্দ করি। প্রথম ম্যাচ থেকেই সেরাটা মেলে ধরা জরুরি।’ কোহলি অবশ্য অন্য চাপও টের পাচ্ছেন। এই আসরে রান না পেলে তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার নিয়ে আরও বেশি প্রশ্ন উঠবে।
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রতিযোগিতার দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছেন তিনি। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বিরাট বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হচ্ছে। আমি সবসময়ই এই প্রতিযোগিতা উপভোগ করি। কারণ, এই মঞ্চে ধারাবাহিকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যোগ্যতা অর্জনের জন্য সেরা আট দলের মধ্যে থাকা জরুরি। তাছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাও তীব্র।’
২০০৯, ২০১৩ ও ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলেছেন বিরাট। শেষবার তিনিই ছিলেন অধিনায়ক। ফাইনালে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। কোহলির মতে, এই প্রতিযোগিতায় যে চাপের মুখে পড়তে হয় দলগুলিকে তার সঙ্গে তুলনা করা যায় টি-২০ বিশ্বকাপের। তাঁর কথায়, ‘লিগে তিন-চারটির বেশি ম্যাচ থাকে না। তাই শুরুটা ভালো না হলে মারাত্মক চাপ হয়ে যায়। সেজন্যই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে পছন্দ করি। প্রথম ম্যাচ থেকেই সেরাটা মেলে ধরা জরুরি।’ কোহলি অবশ্য অন্য চাপও টের পাচ্ছেন। এই আসরে রান না পেলে তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার নিয়ে আরও বেশি প্রশ্ন উঠবে।



