পারথ: অস্ট্রেলিয়াকে ঘরের মাঠে এত নির্জীব, ছন্নছাড়া আর অসহায় আগে কি কখনও দেখিয়েছে? পারথ হল এদেশের সবচেয়ে গতি ও বাউন্সভরা পিচ। সাধারণত সিরিজের পরের দিকের টেস্ট আয়োজিত হয় এখানে। এবার সেই রীতি ভেঙে প্রথম টেস্ট হওয়ার কারণ একটাই। গতি ও বাউন্সে ভারতকে শুরুতেই পিষে মারতে চেয়েছিল ব্যাগি গ্রিনরা। কল্পনাও করা যায়নি, সেটাই বুমেরাং হবে। অথচ, তৃতীয় দিনের শেষে অপ্টাস স্টেডিয়ামে ধুঁকছে প্যাট কামিন্সের দল। ভেন্টিলেশনের বেডেই শয্যাশায়ী দেখাচ্ছে হোম টিমকে। অন্যদিকে, স্মরণীয় জয়ের গন্ধ পাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। যার প্রধান কারিগর অবশ্যই যশস্বী জয়সওয়াল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কেরিয়ারের প্রথম টেস্টে ১৬১ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিলেন তিনি। বিরাট কোহলি আবার শুধু ফর্মেই ফিরলেন না, টেস্টে শতরানের সংখ্যায় ব্র্যাডম্যানকেও (২৯) পেরিয়ে গেলেন। আর যশপ্রীত বুমরাহ পড়ন্তবেলায় যথারীতি ধরা দিলেন বিধংসী মেজাজে। পরিণতি, বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে ভারতের ১-০ এগিয়ে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত।
Advertisement
৫৩৪ রানের এভারেস্ট সমান টার্গেট তাড়া করে অস্ট্রেলিয়া সাড়ে চার ওভারের মধ্যেই হারিয়েছে তিন উইকেট। নাথান ম্যাকসুইনিকে ইনিংসের চতুর্থ বলেই এলবিডব্লু করেন বুমরাহ। নৈশপ্রহরী কামিন্সও বেশিক্ষণ থাকেননি। মহম্মদ সিরাজের বলে স্লিপে তাঁর খোঁচা ধরা পড়ে কোহলির হাতে। ধীরেসুস্থে ক্রিজে যাওয়া মার্নাস লাবুশানে ফেরেন পরের ওভারেই। বুমরাহর বলে কোনও শট না নিয়ে এলবিডব্লু হন তিনি। নষ্ট করেন রিভিউও। ১২ রানে তিন উইকেট, কেমন যেন আতঙ্কগ্রস্তই দেখাচ্ছে ঔদ্ধত্যে ভরপুর, স্লেজিংয়ের জন্য কুখ্যাত অজিদের। জিততে গেলে দরকার আরও ৫২২। বল আচমকা নীচু হচ্ছে, মাঝে মাঝে ঘুরছেও। ঠিকঠাক লেংথে বল রাখলে ব্যাটিং ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠতে বাধ্য। ক্রিকেট যত অনিশ্চয়তার খেলাই হোক, জয়ের স্টেশন অস্ট্রেলিয়ার ধরাছোঁয়ার বাইরেই মনে হচ্ছে।
আসলে যশস্বীর ম্যারাথন ইনিংসই বেলুন চুপসে দিয়েছে কামিন্সদের। অজি পেস আক্রমণের অহঙ্কার চুরমার করে দিয়েছে ভারতের ওপেনিং জুটি। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যশস্বী যোগ করেন রেকর্ড ২০১ রান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এর আগে টেস্টে প্রথম উইকেটে কখনও দু’শো পেরোয়নি ভারত। ১৯৮৬ সালে সিডনিতে সুনীল গাভাসকর ও কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তের ১৯১ রানকে টপকে গেলেন তাঁরা। কেরিয়ারের চতুর্থ শতরানে ছক্কা মেরে পৌঁছন যশস্বী। যাতে প্রতিফলিত তাঁর ডেয়ারডেভিল মনোভাব। প্রথম ইনিংসে শূন্যর পর বাঁ হাতির ডাবল সেঞ্চুরি নিশ্চিত দেখাচ্ছিল রবিবারে। রাহুলের শতরানও বাঁধা দেখাচ্ছিল। কিন্তু মুহূর্তের ভুলে ছন্দপতন হয় তাঁর। যশস্বীর খেলায় যদিও তার প্রভাব পড়েনি। অপ্রতিরোধ্য ছন্দেই দেখাচ্ছিল তাঁকে। পয়েন্টে ক্যাচ দেওয়ার পর তাই অবিশ্বাসই ধরা পড়ল শরীরী ভাষায়। তাৎপর্যের হল, যশস্বীর প্রতিটি টেস্ট শতরানই দেড়শো প্লাস রানের। সাধে কি আর নয়া সুপারস্টার বলা হচ্ছে একদা মুম্বইয়ের ময়দানে ফুচকা বিক্রি করা এই অসামান্য প্রতিভাধরকে!
কোহলি আবার টেস্টে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছলেন প্রায় দেড় বছর পর। টেস্টে যা তাঁর ৩০তম শতরান। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ইনিংসে ‘কিং’ ফিরলেন স্বমহিমায়। এদে সপ্তম টেস্ট শতরানের পথে মারলেন আটটি চার ও দুটো ছক্কা। ৭০ থেকে ১০০ পৌঁছতে তাঁর লাগল মাত্র ২০ বল। ঋষভ পন্থ, ধ্রুব জুরেল রান না পেলেও ভিকে’র সঙ্গে সঙ্গতে ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও নীতীশ রেড্ডি। এরমধ্যে টি-টোয়েন্টি মেজাজে স্লগ করলেন নীতীশ। কামিন্সরা মনে হয় ঘরের মাঠে এভাবে কখনও অত্যাচারিত হননি!
আসলে যশস্বীর ম্যারাথন ইনিংসই বেলুন চুপসে দিয়েছে কামিন্সদের। অজি পেস আক্রমণের অহঙ্কার চুরমার করে দিয়েছে ভারতের ওপেনিং জুটি। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যশস্বী যোগ করেন রেকর্ড ২০১ রান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এর আগে টেস্টে প্রথম উইকেটে কখনও দু’শো পেরোয়নি ভারত। ১৯৮৬ সালে সিডনিতে সুনীল গাভাসকর ও কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তের ১৯১ রানকে টপকে গেলেন তাঁরা। কেরিয়ারের চতুর্থ শতরানে ছক্কা মেরে পৌঁছন যশস্বী। যাতে প্রতিফলিত তাঁর ডেয়ারডেভিল মনোভাব। প্রথম ইনিংসে শূন্যর পর বাঁ হাতির ডাবল সেঞ্চুরি নিশ্চিত দেখাচ্ছিল রবিবারে। রাহুলের শতরানও বাঁধা দেখাচ্ছিল। কিন্তু মুহূর্তের ভুলে ছন্দপতন হয় তাঁর। যশস্বীর খেলায় যদিও তার প্রভাব পড়েনি। অপ্রতিরোধ্য ছন্দেই দেখাচ্ছিল তাঁকে। পয়েন্টে ক্যাচ দেওয়ার পর তাই অবিশ্বাসই ধরা পড়ল শরীরী ভাষায়। তাৎপর্যের হল, যশস্বীর প্রতিটি টেস্ট শতরানই দেড়শো প্লাস রানের। সাধে কি আর নয়া সুপারস্টার বলা হচ্ছে একদা মুম্বইয়ের ময়দানে ফুচকা বিক্রি করা এই অসামান্য প্রতিভাধরকে!
কোহলি আবার টেস্টে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছলেন প্রায় দেড় বছর পর। টেস্টে যা তাঁর ৩০তম শতরান। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ইনিংসে ‘কিং’ ফিরলেন স্বমহিমায়। এদে সপ্তম টেস্ট শতরানের পথে মারলেন আটটি চার ও দুটো ছক্কা। ৭০ থেকে ১০০ পৌঁছতে তাঁর লাগল মাত্র ২০ বল। ঋষভ পন্থ, ধ্রুব জুরেল রান না পেলেও ভিকে’র সঙ্গে সঙ্গতে ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও নীতীশ রেড্ডি। এরমধ্যে টি-টোয়েন্টি মেজাজে স্লগ করলেন নীতীশ। কামিন্সরা মনে হয় ঘরের মাঠে এভাবে কখনও অত্যাচারিত হননি!



