নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দলীয় কার্যালয় সংস্কারের নাম করে কেনা হয়েছিল মার্বেল, টাইলস। পদস্থ বিজেপি নেতার কথায় বিশ্বাস করে মোটা অঙ্কের টাকা ধার রাখতে সম্মত হয়েছিলেন ইমারতি সামগ্রীর ব্যবসায়ী সুমিত গোলদার। এখন তিনি পড়েছেন ফাঁপরে। পাওনা টাকা আদায়ের চেষ্টা করে একাধিকবার ব্যর্থ হয়েছেন। অন্য কোনও উপায় না পেয়ে ওই নেতার বিরুদ্ধে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত কোনও মণ্ডল সভাপতি বা পঞ্চায়েত এলাকার উঠতি বিজেপি নেতা নন, তিনি দলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ। খোদ জেলা সভপিতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে স্বভাবতই শোরগোল শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরে। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে হরেক জল্পনা।
Advertisement
তবে তাপসবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের এখানেই শেষ নয়! বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে লেখা চিঠিতে ওই ব্যবসায়ী লিখেছেন, ‘টাকা আদায় করতে গিয়ে আমি জানতে পারি, পার্টি অফিস নয়, উনি ব্যক্তিগত প্রোমোটারির কাজের জন্য আমার কাছ থেকে বাকিতে মালপত্র নিয়েছেন।’ টাকা চাইতে গেলে নানাভাবে হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও আনা হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসার পর বিজেপির নেতাকর্মীদের একটা বড় অংশ চাইছে, হাজার হাজার টাকার মার্বেল ও পাথর কোথায় গেল, তদন্ত করে দেখা হোক। কারণ, সম্প্রতি দলীয় কার্যালয়ে কোনও সংস্কার বা মেরামতি হয়েছে বলে জানেন না তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাটের মির্জাপুর এলাকায় সুমিতবাবুর মার্বেল-টাইলসের দোকান। বেশ কয়েক মাস আগে তাপস ঘোষ তাঁর কাছ থেকে কিছু সামগ্রী কেনেন। মাঝেমধ্যে কিছু কিছু টাকা তিনি শোধও করেছেন। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা এখনও বকেয়া। সম্প্রতি ব্যবসায়ী পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে ফিরিয়ে দেন তাপসবাবু। উল্টে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় অসহায় বোধ করেই ওউ ব্যবসায়ী বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে সুরাহা চেয়েছেন। সুমিতবাবু বলেন, ‘ধীরে ধীরে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। শুনেছি, ওই মালপত্র উনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন। আমি টাকার দাবি করলে উনি ফিরিয়ে দিয়েছেন বারবার। বাধ্য হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে অভিযোগ জানিয়েছি।’ তবে এ বিষয়ে তাপসবাবু বলেন, ‘কিছু জিনিসপত্র ওঁদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তার হিসেব দিচ্ছেন না ওঁরা। কিছু টাকা হয়তো বাকি আছে। সঠিক হিসেব দিলে আমরা তা মিটিয়ে দেব। আমি যদি হুমকি দিয়ে থাকি, তাহলে ওঁরা আইনিভাবে তার প্রমাণ দিক।’ এই আবহে বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। বসিরহাটের তৃণমূল তথা আইএনটিটিইউসি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ওদের মুখে তো ঝামা ঘষা হয়ে গেল। পার্টি অফিস সংস্কারের নাম করে পাথর কিনে নিজের বাড়ির কাজে লাগিয়ে দিলেন—এ তো ভারী লজ্জার বিষয়!’
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাটের মির্জাপুর এলাকায় সুমিতবাবুর মার্বেল-টাইলসের দোকান। বেশ কয়েক মাস আগে তাপস ঘোষ তাঁর কাছ থেকে কিছু সামগ্রী কেনেন। মাঝেমধ্যে কিছু কিছু টাকা তিনি শোধও করেছেন। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা এখনও বকেয়া। সম্প্রতি ব্যবসায়ী পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে ফিরিয়ে দেন তাপসবাবু। উল্টে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় অসহায় বোধ করেই ওউ ব্যবসায়ী বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে সুরাহা চেয়েছেন। সুমিতবাবু বলেন, ‘ধীরে ধীরে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। শুনেছি, ওই মালপত্র উনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন। আমি টাকার দাবি করলে উনি ফিরিয়ে দিয়েছেন বারবার। বাধ্য হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে অভিযোগ জানিয়েছি।’ তবে এ বিষয়ে তাপসবাবু বলেন, ‘কিছু জিনিসপত্র ওঁদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তার হিসেব দিচ্ছেন না ওঁরা। কিছু টাকা হয়তো বাকি আছে। সঠিক হিসেব দিলে আমরা তা মিটিয়ে দেব। আমি যদি হুমকি দিয়ে থাকি, তাহলে ওঁরা আইনিভাবে তার প্রমাণ দিক।’ এই আবহে বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। বসিরহাটের তৃণমূল তথা আইএনটিটিইউসি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ওদের মুখে তো ঝামা ঘষা হয়ে গেল। পার্টি অফিস সংস্কারের নাম করে পাথর কিনে নিজের বাড়ির কাজে লাগিয়ে দিলেন—এ তো ভারী লজ্জার বিষয়!’



