ইসলামাবাদ: ‘পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভকারীদের ৯৯ শতাংশই দেশপ্রেমিক। আমাদের ভাই।’ বক্তা স্বয়ং পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ। চাপে পড়ে রাতারাতি ভোলবদল। তথাকথিত ‘জঙ্গি’রা হয়ে উঠল ‘দেশপ্রেমিক’! রাজনৈতিক সমালোচকদের কথায়, পিওকে-র জনসমর্থন শাসক দলের সঙ্গে নেই। গত জুন মাস থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ চলছে। কোনোরকমে ভোটে জিতেছে শাহবাজের দল পিএমএল-এন। কিন্তু পিছু ছাড়ছে না সরকারি দমনপীড়ন, হিংসা এবং রিগিংয়ের অভিযোগ। রাষ্ট্রসংঘেও কোণঠাসা শাহবাজের সরকার। রাষ্ট্রসংঘের সাফ বার্তা, জুন মাস থেকে এই শয়ে শয়ে মৃত্যুর দায় নিতে হবে পাকিস্তান সরকারকে। দিনকয়েক আগেও বর্তমান সরকার দাবি করেছিল, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তেহরিক-ই-তালিবানের জঙ্গিরা রয়েছে। একধাপ এগিয়ে বিক্ষোভকারীদের পাকিস্তানের শত্রু বলে তকমাও দিয়েছিলেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। ভারতের সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু জনরোষ আর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চাপে পড়ে আচমকাই সুর বদল।



