নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: টেন্ডার করে ট্রেনের এসএলআর (সাইডিং লাগেজ রেক) কামরা সহ পার্সেল পরিষেবার যাবতীয় দায়িত্ব বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিতে উদ্যোগী হয়েছে রেল। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার সকালে হাওড়া ডিআরএম অফিসের সামনে প্রতিবাদে শামিল হন হাওড়া পার্সেল এজেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীরা। ঘণ্টাখানেক প্রতিবাদ ও অবরোধ করেন তাঁরা।
এদিন বিক্ষোভকারীরা দিনভর হাওড়া স্টেশনে সব পার্সেল বুকিংয়ের কাজ বন্ধ রাখেন। ফলে পার্সেল পাঠাতে আসা অনেক সাধারণ মানুষকেই হয়রান হতে হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এজেন্টদের মাধ্যমে এতদিন রেলের লাগেজ ভ্যানে পার্সেল বুকিং করতে হতো। এতে প্রায় চারশো জন পার্সেল এজেন্টের পাশাপাশি দেড় হাজার মজুরের পরিবারের অন্ন সংস্থান হতো। কয়েক পুরুষ ধরে বংশানুক্রমে রেলে পার্সেল তোলা, নামানো, বয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছেন এই মজুররা। অ্যাসোসিয়েশনের তরফে মনোরঞ্জন সিং, দিলীপ চৌবে, আফতাব আলমরা বলেন, রেলের এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবারকে নিয়ে এখন পথে বসতে হবে। এত মজুরের রুজিরুটি সঙ্কটের মুখে। বড় বড় সংস্থাকে পার্সেলের লিজ দিয়ে রেল কোটি টাকা মুনাফা করতে চাইছে।
তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। বিষয়টি উচ্চতর মহলে জানানো হবে বলে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করেছে রেল।