Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আলিপুরদুয়ারে টি ট্যুরিজম চালুর প্রস্তাব পর্যটনন্ত্রীকে

আলিপুরদুয়ারে টি ট্যুরিজম চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। জেলার পর্যটন অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন।

আলিপুরদুয়ারে টি ট্যুরিজম চালুর প্রস্তাব পর্যটনন্ত্রীকে
  • ৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় ইতিমধ্যেই টি ট্যুরিজম চালু হয়েছে। কিন্তু চা বাগান বেষ্টিত ও প্রধান অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও পর্যটনের বিকাশে আলিপুরদুয়ার জেলায় এখনও টি ট্যুরিজম চালু হয়নি। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হওয়ার পর জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীরা এবার এখানে টি ট্যুরিজম চালু হওয়ার আশা দেখছেন। তাঁরা ইতিমধ্যেই রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষের দ্বারস্থ হয়েছেন। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার ডিস্ট্রিক্ট হোটেল অ্যান্ড রিসর্ট অ্যাসোসিয়েশন টি ট্যুরিজম নিয়ে শহরে সাংবাদিক সম্মেলন করে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পবনকুমার পুরোহিত বলেন, রাজ্যে এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। আমরা আশাবাদী পর্যটনের প্রসারে আমাদের জেলাতেও উত্তরের দুই জেলার মতো টি ট্যুরিজম চালু হবে। আমরা এই দাবিতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষের দ্বারস্থ হয়েছি। তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছি। আমাদের জেলাতেও টি ট্যুরিজম চালুর বিষয়ে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। 
জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীদের এই দাবি নিয়ে বিভাগীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ বলেন, চা বাগান ঘেরা আলিপুরদুয়ার জেলায় টি ট্যুরিজমে বিপ্লব আসার সম্ভবনা আছে। ওই জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব পেয়েছি। আমার দপ্তর বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছে। 
উল্লেখ্য, অসম-বাংলা সীমানায় রাজ্যের প্রান্তিক জেলা আলিপুরদুয়ারে ৬৮টি চা বাগান আছে। বাগান মালিকরাও চাইছেন টি ট্যুরিজম চালু হলে জেলার পর্যটন অর্থনীতিতে জোয়ার আসতে পারে। মাঝেরডাবরি চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার চিন্ময় ধর বলেন, উত্তর ভারতের পর্যটকরা চা পাতা কীভাবে তোলে, চা তৈরির প্রসেসিং ও প্যাকেজিং কীভাবে হয় তার কিছুই জানেন না। জেলায় টি ট্যুরিজম চালু হলে পর্যটকরা এখানে এসে সরাসরি তা জানতে পারবেন। উত্তর ভারতের পর্যটকরা চা বাগানের সবুজ গালিচায় রাত কাটালে ডুয়ার্সের নৈসর্গিকও উপভোগ করতে পারবেন। ফলে টি ট্যুরিজমের মাধ্যমে জেলার পর্যটন অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। আমরা পর্যটন ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি। 
এদিকে, জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীদের আরও দাবি,টি ট্যুরিজমের মাধ্যমে প্রতিটি বাগানে যদি একটি করে চা পাতা বিক্রির আউটলেট চালু করা যায় তাহলে পর্যটকরা সরাসরি বাগান থেকেই তৈরি চাপাতাও কিনতে পারবেন। এতে প্রচার হবে বাংলার তথা ডুয়ার্সের চায়ের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ