নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুধু তীর্থযাত্রীদের পরিবহণ করাই নয়, পূর্ণকুম্ভে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বড় ভূমিকা পালন করেছে ভারতীয় রেল। প্রয়াগরাজের পূর্ণকুম্ভের জন্য গত দু’বছরে পরিকাঠামো খাতে রেল ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করেছে। এ থেকেই আন্দাজ করা যায়, কতটা গুরুত্ব দিয়ে মহাকুম্ভকে সফল করার জন্য আসরে নেমেছিল রেল।
Advertisement
রেলওয়ে বোর্ডের এগজিকিউটিভ মেম্বার রবিন্দর গোয়েল জানিয়েছেন, আগে স্টেশনগুলি যাত্রীরা ট্রেন ধরা এবং সেখান থেকে নামার কাজে ব্যবহার করতেন। ভিড়ে ঠাসা, হই-হট্টগোলে সরগরম স্টেশনগুলির ভোলই পাল্টে দিয়েছে রেল। এখন সেগুলি মহাকুম্ভের তীর্থযাত্রীদের স্বাগতস্থল হিসেবে কাজ করেছে। যাত্রীদের জন্য স্টেশনেই রয়েছে এগজিকিউটিভ লাউঞ্জ, রিটায়ারিং রুম, স্লিপিং পডের মতো আধুনিক ব্যবস্থা। ট্রেন ধরার আগে বা স্টেশন থেকে হোটেলের উদ্দেশে গাড়ি পাওয়ার আগে এখানে বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারবেন যাত্রীরা। দামি হোটেলের বিকল্প হিসেবে সব রকম সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যবস্থা সমেত স্লিপিং পডগুলি টাকা বাঁচিয়েছে তীর্থযাত্রীদের।
ভিড় কমানোর জন্য প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৮টি। ফলে বিশাল সংখ্যক যাত্রীর চাপ এগুলি সামাল দিতে পেরেছে। টিকিটে বিশেষ রং, দিকনির্দেশক, প্ল্যাটফর্মে বিশেষ চিহ্নের মাধ্যমে তীর্থযাত্রীদের সহজে গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়াগরাজ জংশন এবং প্রয়াগরাজ চিওকি, দু’টি স্টেশনকেই এর জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোয় মুড়ে ফেলা হয়েছে। পূর্ণকুম্ভ উপলক্ষে প্রতিদিন বাড়তি প্রায় এক কোটি মানুষের আগমন ঘটেছে রেলের মাধ্যমে। এত বাড়তি লোকের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করাও মুখের কথা নয়। আগে যেখানে রেলের যাত্রী আবাসে মাত্র ২১ হাজার মানুষ প্রতিদিন থাকতে পারতেন, এখন স্টেশন সংলগ্ন এই আবাসগুলিতে এক লক্ষ ১০ হাজার যাত্রী থাকতে পারেন। বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রী, স্তনদাত্রী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। শৌচাগার এবং পানীয় জলের পরিকাঠামোও কয়েকগুণ বেড়েছে। সার্বিকভাবে পূর্ণকুম্ভকে কেন্দ্র করে রেল নিজের হসপিটালিটি সার্ভিস বা আতিথেয়তা প্রদানের ক্ষমতাও আরেকবার প্রমাণ করল।
ভিড় কমানোর জন্য প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৮টি। ফলে বিশাল সংখ্যক যাত্রীর চাপ এগুলি সামাল দিতে পেরেছে। টিকিটে বিশেষ রং, দিকনির্দেশক, প্ল্যাটফর্মে বিশেষ চিহ্নের মাধ্যমে তীর্থযাত্রীদের সহজে গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়াগরাজ জংশন এবং প্রয়াগরাজ চিওকি, দু’টি স্টেশনকেই এর জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোয় মুড়ে ফেলা হয়েছে। পূর্ণকুম্ভ উপলক্ষে প্রতিদিন বাড়তি প্রায় এক কোটি মানুষের আগমন ঘটেছে রেলের মাধ্যমে। এত বাড়তি লোকের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করাও মুখের কথা নয়। আগে যেখানে রেলের যাত্রী আবাসে মাত্র ২১ হাজার মানুষ প্রতিদিন থাকতে পারতেন, এখন স্টেশন সংলগ্ন এই আবাসগুলিতে এক লক্ষ ১০ হাজার যাত্রী থাকতে পারেন। বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রী, স্তনদাত্রী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। শৌচাগার এবং পানীয় জলের পরিকাঠামোও কয়েকগুণ বেড়েছে। সার্বিকভাবে পূর্ণকুম্ভকে কেন্দ্র করে রেল নিজের হসপিটালিটি সার্ভিস বা আতিথেয়তা প্রদানের ক্ষমতাও আরেকবার প্রমাণ করল।



