দুবাই: শুধু ট্রফি জিতলে চলবে না, হারাতে হবে ভারতকেও! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর আগেই পাকিস্তান দলকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। কিন্তু রবিবার ভারতের কাছে পরাজয়ের পর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পথে আয়োজক দেশ। স্বাভাবিকভাবে মহম্মদ রিজওয়ানদের উদ্দেশে ছুটে আসছে তোপ। প্রাক্তনরা রীতিমতো মুণ্ডপাত করছেন ক্রিকেটারদের।
Advertisement
জাভেদ মিয়াঁদাদ যেমন প্রশ্ন তুলেছেন দায়বদ্ধতা নিয়ে। তাঁর কথায়, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের কীসের অভাব? পিসিবি কি ওদের সুযোগসুবিধা দেয় না? যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ কি মেলে না? তাহলে প্যাশন আর পেশাদারিত্ব কেন উধাও? এই দলটার জেতার খিদে রয়েছে বলেই তো মনে হচ্ছে না। ম্যাচ শুরুর আগেই যেন হেরে বসে রয়েছে। ওদের মিনমিনে শরীরী ভাষা তো সেটাই বলছে। অন্যদিকে, বিরাট কোহলিকে দেখুন, দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে দারুণভাবে জ্বলে উঠল।’ ক্ষিপ্ত শাহিদ আফ্রিদিও। তিনি বলেছেন, ‘এমনই হওয়ার কথা ছিল। ১৯৮০-৯০ সালের মানসিকতা নিয়ে ২০২৫ সালে খেললে হারই জুটবে। ২০১৭ সালের পর আইসিসি ইভেন্টে বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে পাকিস্তান।’ ওয়াসিম আক্রাম আবার একহাত নিয়েছেন লেগস্পিনার আব্রার আহমেদকে। তাঁর মতে, ‘সবকিছুরই সময় রয়েছে। শুভমান গিলকে আউট করার পর আব্রারের ওভাবে সেন্ড অফ জানানো একেবারেই উচিত হয়নি। কেউ ওকে থামাল না কেন? এমন ভাব করছিল যেন পাঁচ উইকেট নিয়েছে। অথচ, তখনও রীতিমতো চাপে ছিল পাকিস্তান।’
শোয়েব আখতারের নিশানায় বাবর আজম। রাগত ভঙ্গিতে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ বলেছেন, ‘বাবরের চিন্তাভাবনাতেই গলদ রয়েছে। কীসের সেরা খেলোয়াড়? ভুলভাল লোককে আমরা মাথায় তুলেছি। ও একটা প্রতারক। অন্যদিকে কোহলির দিকে তাকান, শচীনের ঐতিহ্যকেই অনুসরণ করে চলেছে।’ এদিকে, ভারতের কাছে লজ্জাজনক পরাজয়ের জেরে চাকরি যেতে পারে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফের। পিসিবি’র সূত্রে এমন আভাসই মিলেছে।
শোয়েব আখতারের নিশানায় বাবর আজম। রাগত ভঙ্গিতে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ বলেছেন, ‘বাবরের চিন্তাভাবনাতেই গলদ রয়েছে। কীসের সেরা খেলোয়াড়? ভুলভাল লোককে আমরা মাথায় তুলেছি। ও একটা প্রতারক। অন্যদিকে কোহলির দিকে তাকান, শচীনের ঐতিহ্যকেই অনুসরণ করে চলেছে।’ এদিকে, ভারতের কাছে লজ্জাজনক পরাজয়ের জেরে চাকরি যেতে পারে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফের। পিসিবি’র সূত্রে এমন আভাসই মিলেছে।



