নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষা (মাধ্যমিকের সমতুল) চলছে। তখনই পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে মাইক বাজিয়ে চলল তৃণমূলের শাখা সংগঠন কিষাণ খেতমজুর সেলের সভা। শনিবার দুপুরে দত্তপুকুরের ছোট জাগুলিয়ায় এভাবেই সরকারি বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে পুলিস ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শাসক দলের কর্মসূচি হওয়ায় সাহস করে কেউ প্রতিবাদও করছে না। তবে কর্মসূচির উদ্যোক্তাদের দাবি, এনিয়ে কারও কোনও অভিযোগ নেই। শব্দ নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত ১ নং ব্লকের ছোট জাগুলিয়ার মানিকতলায় এদিন তৃণমূলের কিষাণ খেতমজুর সেলের জেলা সম্মেলন ছিল। বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে কৃষক, খেতমজুরদের একজোট করে সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি করতেই এই সম্মেলনের আয়োজন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু, আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হালিমা বিবি প্রমুখ। তারস্বরে মাইক বাজিয়ে চলল কর্মসূচি। সম্মেলন মঞ্চের আশপাশের উলা, কালসারা, খোরকি, মানিকতলা এলাকায় কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ টি চোঙা লাগানো হয়েছিল। ফলে পরীক্ষার্থী ও আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিকের পড়ুয়াদের বিস্তর সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের কিষাণ সেলের জেলা সভাপতি মফিজুর রহমান বলেন, ‘সম্মেলন যে জায়গায় হয়েছে, সেখানে জনবসতি তুলনায় কম। মাইক বাজানো নিয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। আমরাও শিক্ষার গুরুত্ব দিতে জানি।’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু বলেন, ‘আমাদের কাছে এনিয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। নিয়ম মেনেই হয়েছে কর্মসূচি।’ তবে বিজেপি নেতা তাপস মিত্রে কটাক্ষ, ‘এটা লজ্জার। সামান্য বোধবুদ্ধিও যে তৃণমূলের নেই, তা প্রমাণিত হল।’
এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের কিষাণ সেলের জেলা সভাপতি মফিজুর রহমান বলেন, ‘সম্মেলন যে জায়গায় হয়েছে, সেখানে জনবসতি তুলনায় কম। মাইক বাজানো নিয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। আমরাও শিক্ষার গুরুত্ব দিতে জানি।’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু বলেন, ‘আমাদের কাছে এনিয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। নিয়ম মেনেই হয়েছে কর্মসূচি।’ তবে বিজেপি নেতা তাপস মিত্রে কটাক্ষ, ‘এটা লজ্জার। সামান্য বোধবুদ্ধিও যে তৃণমূলের নেই, তা প্রমাণিত হল।’



