নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নৈহাটি বিধানসভার পলাশি মাঝিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নাগদহ গ্রাম। সেখানকার ৩৫ শতাংশ মানুষ আদিবাসী সম্প্রদায়ের। সেই গ্রাম ‘দত্তক’ নিচ্ছে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তারা গ্রামটির সামাজিক উন্নয়নে উদ্যোগ নেবে বলে বারাকপুর এক নম্বর ব্লকের বিডিও এবং বারাকপুর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিকে জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, বিডিও গার্গী দাস, পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি মৌমিতা দে এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তাব্যক্তিরা সোমবার ওই গ্রাম ঘুরে দেখেন। সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের আর্থসামাজিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেন এবং জানা যায়, গ্রাম দত্তক নেওয়ার প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন তারা। ইতিমধ্যে গ্রামে রাস্তাঘাট তৈরি হয়েছে। বাকি যেগুলি করা দরকার সেগুলি শীঘ্র হবে। তৈরি হবে নানা ধরনের পরিকাঠামো। দেওয়া হবে বিভিন্ন ধরনের পরিষেবা। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, সারাবছর ধরে আদিবাসী মানুষদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ডেঙ্গু থেকে শুরু করে মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে গ্রামবাসীদের সচেতন করা হবে। গ্রামের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার বিষয়ে সবরকম সহযোগিতা করবে। গ্রাম দত্তক নেওয়া মানে সেই গ্রামের বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক দায়বদ্ধতা গ্রহণ করবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে সেখানকার মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে বলে আশা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুব্রতকুমার দে বলেন, আমরা গ্রামটি দেখেছি। সেটির দায়িত্ব নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক। বিশ্ববিদ্যালয় রাজি হওয়ায় তিনি এবং পঞ্চায়েত সমিতি খুশি। সাংসদ বলেন, এটি আদিবাসী প্রধান গ্রাম। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তাব দিয়েছিলাম। ওরা দত্তক নিতে রাজি হয়েছে। গ্রামের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে।



