Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

গত তিন বছরে চারবার, প্রশ্নফাঁস নিয়ে আশ্বাসের পুনরাবৃত্তি প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে চারবার আশ্বাস দিয়েছেন। যুবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন পাশ হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

গত তিন বছরে চারবার, প্রশ্নফাঁস নিয়ে আশ্বাসের পুনরাবৃত্তি প্রধানমন্ত্রীর
  • ২৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কোনো বিষয় হাতের বাইরে না চলে গেলে মুখ খোলেন না প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই অভিযোগ অনেকদিনের। যন্তর মন্তরের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিন সাতসকালের বার্তায় প্রশ্নফাঁসে দোষীদের বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর আগের দেওয়া আশ্বাস নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, এবারের আশ্বাসের ভাষা আগের গুলোর মতোই। গত তিন বছরে এই নিয়ে চারবার প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা দিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে ‘পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) বিল, ২০২৪’ নামের বিল পাশ করায় কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সপ্তদশ লোকসভার শেষদিনে জবাবি বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশের যুবকরা শঙ্কিত। তাঁরা চলতি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্রুদ্ধ। এ কারণেরই সংসদে কঠোর আইন পাশ হয়েছে।’ আবার ২০২৪ সালের ২ জুলাই রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ জ্ঞাপক বিতর্কেও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘যুবকদের সঙ্গে যারা প্রতারণা করেছে, তাদের রেয়াত করা হবে না।’ পরদিন রাজ্যসভাতেও মোদির কণ্ঠে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি শোনা যায়। 
প্রশ্নফাঁসে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কঠোর অবস্থানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়ে গিয়েছিলেন নির্বাচনী প্রচারেও। ২০২৩ সালের নভেম্বরে রাজস্থান বিধানসভার প্রচারে গিয়ে মোদি বলেন, ‘কংগ্রেস গত পাঁচ বছরে সব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করেছে। আমি সকলকে নিশ্চিত করে জানাতে চাই, প্রশ্ন ফাঁসে যুক্তদের জেলের ঘানি টানাব। এটাই মোদির গ্যারান্টি।’ রাজস্থানে বিজেপি সরকারের এক বছর উপলক্ষ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মোদি বলেছিলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতি কংগ্রেস আমলে রাজস্থানের পরিচিতি হয়ে গিয়েছিল। বিজেপি সরকারের আমলে দোষীদের খুঁজে বার করে শাস্তি দেওয়া শুরু হয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ