Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০৭ আসনের অহংকার বিপদ ডেকে আনতে পারে: শমীক

পালাবদলের পর থেকেই তোলাবাজি ইস্যুতে ব্যাপক অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি। তাই এবার দলীয় নেতা-কর্মীদের সংযত থাকার কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে সমস্ত একদলীয় একাধিপত্যের পতন হয়।

২০৭ আসনের অহংকার বিপদ ডেকে আনতে পারে: শমীক
  • ৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পালাবদলের পর থেকেই তোলাবাজি ইস্যুতে ব্যাপক অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি। তাই এবার দলীয় নেতা-কর্মীদের সংযত থাকার কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে সমস্ত একদলীয় একাধিপত্যের পতন হয়। আজ আমরা ২০৭ (বিধায়ক সংখ্যা), এই শরীরী ভাষা নিয়ে যদি দলের কেউ ময়দানে নেমে পড়েন, তাহলে পরিণতি কিন্তু অত্যন্ত খারাপ হবে। যেভাবে ডিম থেরাপি শুরু হয়েছে, তার অভিমুখ বদলে যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না।’ 

Advertisement

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি নেতা-কর্মী এবং নামধারীদের দৌরাত্ম্য ক্রমেই লাগামছাড়া হচ্ছে। তোলাবাজি-সিন্ডিকেটরাজ সহ গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ জমা পড়ছে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। ক্ষমতার আস্ফালন থেকে গেরুয়া নেতা-কর্মীদের সরিয়ে আনার জন্য শমীকবাবুর এই আত্মসমালোচনামূলক বক্তব্য কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে অবশ্য সংশয় রয়েছে। কেননা, বিধানসভা ভোটে জয়ের পর থেকে গত তিনমাসে বিবিধ ইস্যুতে দলীয় সতীর্থদের উদ্দেশ্যে হুঙ্কার দিচ্ছেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। হুঁশিয়ারও করছেন। কিন্তু মুখের কথার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি মিলছে না, মত রাজনৈতিক মহলের।
এদিন পদ্মবাহিনীর শুদ্ধিকরণে শমীকবাবু আরও বলেন, ‘রাজ্যবাসী জামা বদলের জন্য ভোট দেননি। জামার ভিতরের মানুষটার বদল চেয়েছেন। মানুষ এই দলটার তৃণমূলীকরণ হোক, সেটা দেখতে চায় না। আমাদের দলের কিছু কিছু মানুষ তৃণমূলীদের নিয়ে ঘুরতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ আবার কোন পুরসভার কোন ওয়ার্ডে প্রার্থী হবেন, সেটাও ঠিক করে ফেলছেন। আমি বলছি, সে গুড়ে বালি নয়, সে গুড়ে বোল্ডার!’ তাঁর আরও উপলব্ধি, ‘বিচ্যুতি ছা‌ড়া কোনো রাজনৈতিক দল হয় না। আমরা যেখানেই বিচ্যুতি দেখছি, সেখানে কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এখনও তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী-কাউন্সিলার কিংবা নেতারা অক্ষত রয়েছেন। বিজেপি হিংসার পথে হাঁটেনি। না হলে গণপিটুনিতে মারা যেতেন।’ আসলে বিজেপির বাংলা ইউনিটের প্রধান বোঝাতে চেয়েছেন, ভোট পরবর্তী হিংসার ইস্যুতে গেরুয়া পার্টি অতীতের সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে সফল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ