নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১৯ জন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নন প্র্যাকটিসিং অ্যালাউন্স (এনপিএ) নিয়েও প্র্যাকটিস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ১৭ জন মেডিক্যাল অফিসার, এক জন সিনিয়র রেসিডেন্ট ছাড়া আছেন একজন বিএমওএইচ। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির বিএমওএইচ ডাঃ প্রণয় ঘোষ। অভিযোগ উঠেছে, বিএমওএইচ থাকাকালীন শেষ ১০ মাসে তিনি এত প্র্যাকটিস করেছেন যে স্বাস্থ্যসাথী শাখায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থের ক্লেম জমা পড়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য প্রশাসনে হেলথ সার্ভিস এবং মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিস ছাড়াও রয়েছে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস। স্বাস্থ্য প্রশাসনে যুক্ত চিকিৎসকরা শেষোক্ত ক্যাডারের মধ্যে পড়েন। বিএমওএইচরা এই সার্ভিসেরই পদাধিকারী। বলাই বাহুল্য যে এই পদাধিকারী সরকারি চিকিৎসকরা প্রত্যেকেই ‘নন প্র্যাকটিসিং’। সেই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রণয়বাবু স্বাস্থ্যসাথীর আওচায় চুটিয়ে প্র্যাকটিস করে গিয়েছেন। এও অভিযোগ, পশ্চিম মেদিনীপুরে পোস্টিং থাকলেও তিনি ‘কেস’ করেছেন বর্ধমানে! মানে প্রায় ১৫০ কিমি বা সাড়ে ৪ ঘণ্টার দূরত্ব অতিক্রম করেও চলেছে বিএমওএইচের প্র্যাকটিস! শুধু তাই নয়, যতবারই তাঁর প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর অথবা স্বাস্থ্যভবনে অভিযোগ জমা পড়েছে, ততবার তাঁর ঘনিষ্ঠ উত্তরবঙ্গ লবির এক বিতর্কিত নেতা অতিসক্রিয় হয়ে ব্যবস্থা রুখতে উঠেপড়ে লেগেছেন।
৬ ফেব্রুয়ারি এক নির্দেশ জারি করে স্বাস্থ্যদপ্তর প্রণয়বাবু সহ ৯ জন চিকিৎসককে শুনানির জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। ১২ তারিখে পে স্লিপ ও বিভিন্ন কাগজপত্র সহ তাঁদের স্বাস্থ্যভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা। কী বলছেন কেশিয়াড়ির বিএমওএইচ? শুক্রবার তিনি বলেন, ‘দপ্তর শুনানিতে ডেকে পাঠিয়েছে। নিশ্চয়ই যাব। বড়কর্তারা আমার পরিস্থিতি বিচার করে নিশ্চয়ই সহানুভূতির সঙ্গে গোটা বিষয়টি শুনবেন বলে আশা রাখি।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ২০২২ সালে এই পদে এসেছিলেন সার্জারিতে এমএস করা চিকিৎসক ডাঃ ঘোষ। ২০২৩ সালে তিনি নিজেই প্রশাসনিক পদ থেকে মুক্তি চেয়ে প্র্যাকটিসিং স্পেশালিস্ট মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আবেদন জানান। এই আবেদন তিনি বারবার করতে থাকেন। চুটিয়ে প্র্যাকটিসের অভিযোগ ওঠার পর গত ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়ার দরখাস্তও সরকারিভাবে জমা দেন। তা এখনও গৃহীত হয়নি। ফলে তিনিই বিএমওএইচ আছেন। ঘনিষ্ঠমহলে ডাঃ ঘোষ জানিয়েছেন, তিনি একজন সার্জেন। প্র্যাকটিস না করলে তাঁর হাত বলে কিছু থাকবে না। তবে আইনবিরুদ্ধ প্র্যাকটিসের পক্ষে এই ধরনের যুক্তি কি যথেষ্ট, উঠেছে সেই প্রশ্নও।
৬ ফেব্রুয়ারি এক নির্দেশ জারি করে স্বাস্থ্যদপ্তর প্রণয়বাবু সহ ৯ জন চিকিৎসককে শুনানির জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। ১২ তারিখে পে স্লিপ ও বিভিন্ন কাগজপত্র সহ তাঁদের স্বাস্থ্যভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা। কী বলছেন কেশিয়াড়ির বিএমওএইচ? শুক্রবার তিনি বলেন, ‘দপ্তর শুনানিতে ডেকে পাঠিয়েছে। নিশ্চয়ই যাব। বড়কর্তারা আমার পরিস্থিতি বিচার করে নিশ্চয়ই সহানুভূতির সঙ্গে গোটা বিষয়টি শুনবেন বলে আশা রাখি।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ২০২২ সালে এই পদে এসেছিলেন সার্জারিতে এমএস করা চিকিৎসক ডাঃ ঘোষ। ২০২৩ সালে তিনি নিজেই প্রশাসনিক পদ থেকে মুক্তি চেয়ে প্র্যাকটিসিং স্পেশালিস্ট মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আবেদন জানান। এই আবেদন তিনি বারবার করতে থাকেন। চুটিয়ে প্র্যাকটিসের অভিযোগ ওঠার পর গত ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়ার দরখাস্তও সরকারিভাবে জমা দেন। তা এখনও গৃহীত হয়নি। ফলে তিনিই বিএমওএইচ আছেন। ঘনিষ্ঠমহলে ডাঃ ঘোষ জানিয়েছেন, তিনি একজন সার্জেন। প্র্যাকটিস না করলে তাঁর হাত বলে কিছু থাকবে না। তবে আইনবিরুদ্ধ প্র্যাকটিসের পক্ষে এই ধরনের যুক্তি কি যথেষ্ট, উঠেছে সেই প্রশ্নও।



