দীর্ঘ সময় ধরে ‘বৈতানিক’ রবীন্দ্র সংগীতকে আশ্রয় করে যেভাবে রাবীন্দ্রিক সংস্কৃতির নানান দিক উপহার দিয়েছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। চতুর্থ বৈতানিক উৎসবের মূল প্রাপ্তি রবীন্দ্র সংস্কৃতির এক সার্বিক ঝলক। প্রথম বছর থেকেই এই উৎসবের ব্যতিক্রমী ধারা হল বক্তৃতা। এবারের বক্তা সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রাঞ্জলতায় সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করলেন রবীন্দ্র সংগীত এবং বাংলা চলচ্চিত্রের সম্পর্ক। একই ধারায় অত্যন্ত আকর্ষক ছিল অমর্ত্য মুখোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রনৃত্য বিষয়ক উপস্থাপনা। এবারের উৎসবে পরিবেশিত হয় তিনটি নাটক। একটি রবীন্দ্রনাথের ‘রথের রশি’। একক অভিনয়ে দীপ্র মজুমদার চমৎকার। আরেকটি রক্তকরবীর বিনির্মাণ, আধুনিক এবং মনোজ্ঞ একটি প্রযোজনা উপহার দিলেন বিসর্গ নাট্যগোষ্ঠীর সদস্যরা। আর তৃতীয় নাটকটি ছিল শৈবাল বসুর একক সংলাপ ‘শুনছ কালপুরুষ’, যে নাটকের একেবারে অন্তরে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ সঙ্গে শান্তিনিকেতন। এছাড়াও প্রতিদিনই উৎসবে অত্যন্ত আকর্ষণীয় নৃত্যানুষ্ঠান, বাচিক উপস্থাপনা ও রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশিত হয়েছে। সম্মেলক রবীন্দ্র সংগীতের ধারায় সম্ভবত এই প্রথম হৃদকমল গোষ্ঠীর মুক্ত ছন্দ রবীন্দ্র সংগীত শোনা গেল। পরিচালিকা ডক্টর বনানী দে একক নিবেদনে মুগ্ধ করেন।



