Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জগদ্ধাত্রী পুজো আসন্ন, চন্দননগর সরগরম, প্রতিমায় পড়ছে মাটির পরত, চলছে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার প্রস্তুতি

চন্দননগরে শুরু হয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে তৎপরতা। প্রতিমা নির্মাণের কাজ অনেক মণ্ডপে শুরু হয়েছে। কোথাও শেষ হয়েছে মাটির এক পরত বা একমেটে করার কাজ।

জগদ্ধাত্রী পুজো আসন্ন, চন্দননগর সরগরম, প্রতিমায় পড়ছে মাটির পরত, চলছে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার প্রস্তুতি
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরে শুরু হয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে তৎপরতা। প্রতিমা নির্মাণের কাজ অনেক মণ্ডপে শুরু হয়েছে। কোথাও শেষ হয়েছে মাটির এক পরত বা একমেটে করার কাজ। জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই আলোর বর্ণময় জগৎ। আলোকশিল্পীদের বাড়ি কর্মব্যস্ততা এখনই তুঙ্গে। পুজোর প্রায় সবটা নিয়ন্ত্রিত হয় স্থানীয় কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির তত্ত্বাবধানে। সেখানে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে। পুজোর নিয়মকানুন, পুরস্কার, প্রস্তুতির নানা দিক নিয়ে দিশানির্দেশ দেওয়ার কাজ চলছে। এখনও হাতে সময় আছে প্রায় আড়াই মাস। কিন্তু পুজোর বিপুল আয়োজন সামাল দিতে আগেভাগেই ময়দানে নেমে পড়েছে কমিটিগুলি।পুজো পেরিয়ে যাওয়ার পর আসে জগৎবিখ্যাত বিসর্জন। সে শোভাযাত্রা নিয়েও প্রস্তুতি শুরু করেছে আয়োজকরা ও কেন্দ্রীয় কমিটি। এবার কেন্দ্রীয় কমিটি ভাসানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। জানা গিয়েছে, ভাসানের শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যানগুলিতে চালকের সামনের অংশে কোনও আলোকসজ্জা রাখা যাবে না। প্রতিবছর এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয়। কারণ চালক শোভাযাত্রার সময় গাড়ি চালাতে গিয়ে কার্যত কিছুই দেখতে পান না। ওই বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। যে সমস্ত পুজো কমিটি চালকের সামনের অংশে আলোকসজ্জা করবে তাদের ভাসানের পুরস্কার ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেওয়া হবে না। জগৎবিখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজোর আয়োজন প্রসঙ্গে চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, ‘পুজোকে ঘিরে চন্দননগর সরগরম হয়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রতিমা নির্মাণের কাজেও গতি এসেছে। আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে শিল্পী মহল্লায় তৎপরতা। এবার পুজোর সংখ্যা বেড়েছে। ফলে পুজো শুরু হওয়ার দেরি থাকলেও চন্দননগর হাতগুটিয়ে বসে নেই।’ চন্দননগর পুরসভার কাউন্সিলার ও একটি পুজোর আয়োজক অভিজিৎ সেন বলেন, ‘পুজো নিয়ে যাবতীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে আমরা কাজে নেমে পড়েছি। গতবার আমরা একাধিক পুরস্কার পেয়েছিলাম। এবারও সেই লক্ষ্যেই প্রতিমা থেকে মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমস্ত কাজই তৎপরতার সঙ্গে চলছে।’

Advertisement

সেই কোনও এক কালে চন্দননগরে শুরু হয়েছিল জগদ্ধাত্রী পুজো। ক্রমে জগদ্ধাত্রীর খাসতালুকে এসেছে ভাসানের শোভাযাত্রা। সাবেক ফরাসি কলোনি হয়ে উঠেছে আলোর শহর। জগদ্ধাত্রী পুজো হয়ে উঠেছে নাগরিক মহল্লার আবেগের এক ভিন্ন নাম। তাই পাঁজিপুঁথি অনুসারে হাতে সময় থাকলেও গঙ্গাপাড়ের জনপদ আসন্ন পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সরগরম হয়ে উঠেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ