Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

আপত্তিকর মন্তব্যের জের, ইস্তফা উত্তরাখণ্ডের মন্ত্রীর

অর্থ, পরিষদীয়র মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ছিল তাঁর হাতে।

আপত্তিকর মন্তব্যের জের, ইস্তফা উত্তরাখণ্ডের মন্ত্রীর
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

দেরাদুন: ক্ষমা চেয়েও পার পেলেন না। অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকারের মন্ত্রী প্রেমচাঁদ আগরওয়াল। অর্থ, পরিষদীয়র মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ছিল তাঁর হাতে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির সঙ্গে দেখা করে ইস্তফাপত্র তুলে দেন তিনি। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কার্যত ভেঙে পড়েন এই বিজেপি নেতা। চোখের জল মুছে বলেন, ‘পাহাড় এবং সমতলের মধ্যে বিভাজনের জন্য আমি উত্তরাখণ্ড রাজ্য গঠনের পক্ষে লড়াই করিনি।’

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারিতে। বিধানসভার বাজেট অধিবেশন চলাকালীন কংগ্রেস বিধায়ক মদন বিস্তা তাঁকে উদ্দেশ করে একটি মন্তব্য ছুড়ে দেন।তখনই তাঁকে জবাব দিতে গিয়ে মেজাজ হারান মন্ত্রী। বলেন, উত্তরাখণ্ড শুধু পাহাড়িদের জন্য গঠিত হয়নি। একই সঙ্গে কংগ্রেস বিধায়কের উদ্দেশে অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগ করেন তিনি। এতেই শুরু হয় অশান্তি। বিশেষ করে পাহাড়ের মানুষজন প্রেমচাঁদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ঘটনায় ঘি ঢালেন স্থানীয় লোকসঙ্গীত শিল্পী নরেন্দ্র সিং নেগি। তাঁর হোলির গান, ‘মারো প্রেম লাল পিচকারি’ মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। এর আগেও নারায়ণ দত্ত তিওয়ারির সরকারের পতনে নেগির গান বড় ভূমিকা নিয়েছিল। নেগির গান ভাইরাল হওয়ার পরেই বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সক্রিয় হয়। ড্যামেজ কন্ট্রোলে দ্রুত ক্ষমাও চেয়ে নেন মন্ত্রী। তবে তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। অবশেষে প্রেমচাঁদকে ইস্তফা দিতে বলে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই নির্দেশ মেনে পদত্যাগ করলেন এই প্রাক্তন জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড়। তবে কংগ্রেস দাবি তুলেছে, অর্থমন্ত্রী নন, এই ঘটনায় ইস্তফা দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রী ধামি ও বিধানসভার অধ্যক্ষ রীতু ধাণ্ডুরিকে। কংগ্রেস নেতা গণেশ গোধিয়ালের অভিযোগ, প্রেমচাঁদকে বিধানসভায় আড়াল করেছিলেন রীতু।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ