নয়াদিল্লি: দিল্লির ভোট ঘিরে দেশজুড়ে আগ্রহ তুঙ্গে। রাজধানী দখলের যুদ্ধের লড়াইয়ে নেমেছে আপ, বিজেপি ও কংগ্রেস। আসরে রয়েচে বিএসপি, এনসিপি সহ অন্যান্য দলও। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ শেষ হয় ভোটের প্রচার। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ দিল্লিতে। ফল ঘোষণা ৮ ফেব্রুয়ারি।
Advertisement
বুধবার ৭০টি আসনে ভোট হবে। তার জন্য খোলা হয়েছে মোট ১৩ হাজার ৭৬৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। ওইদিন এক কোটি ৫৬ লক্ষ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তারমধ্যে ৮৫ লক্ষ ৭৬ হাজার পুরুষ, ৭২ লক্ষ ৩৬ হাজার মহিলা এবং ১,২৬৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ভোটের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে ২২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়াও সাড়ে ৩৫ হাজারের বেশি দিল্লি পুলিস এবং ১৯ হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে বিভিন্ন বুথে।
গত ২৫ বছর ধরে দিল্লির ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মতো হেভিওয়েট নেতারা। দিল্লিজুড়ে মোট ২২টি রোড শোয়ের আয়োজন করে পদ্মশিবির। অপরদিকে কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেন লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী ও সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতো নেতারা। আম আদমি পার্টির হয়ে প্রচারে ছিলেন দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মুখ্যমন্ত্রী আতিশীর মতো নেতা-নেত্রীরা।
গত ২৫ বছর ধরে দিল্লির ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মতো হেভিওয়েট নেতারা। দিল্লিজুড়ে মোট ২২টি রোড শোয়ের আয়োজন করে পদ্মশিবির। অপরদিকে কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেন লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী ও সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতো নেতারা। আম আদমি পার্টির হয়ে প্রচারে ছিলেন দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মুখ্যমন্ত্রী আতিশীর মতো নেতা-নেত্রীরা।



