Bartaman Logo
১৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পদ পাওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল ছাড়লেন প্রদীপ, দুষলেন অভিষেককে; প্রশংসা শুভেন্দু-দিলীপের

খড়্গপুরের প্রদীপ সরকার পদ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূল ছাড়লেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুষলেন। বিস্তারিত পড়ুন।

পদ পাওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল ছাড়লেন প্রদীপ, দুষলেন অভিষেককে; প্রশংসা শুভেন্দু-দিলীপের
  • ১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২৪
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: 'পদ' পাওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ! এবার তৃণমূল ছাড়লেন খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পরাজিত প্রার্থী প্রদীপ সরকার। বুধবার তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে চিঠি লিখে নিজের পদ ও দল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন খড়্গপুর পুরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা প্রাক্তন পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার। মঙ্গলবারই প্রদীপকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। আর বুধবার সেই পদ সহ দলই ছেড়ে দিলেন প্রদীপ। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনা ঘিরে শোরগোল রেল শহর খড়্গপুরে। এদিন দুপুর নাগাদ প্রদীপ সরকার বলেন, 'দল যখন ক্ষমতায় ছিল, আমাকে পদে পদে অপমান করা হয়েছে। আর এখন এই সঙ্কটের সময়ে পদে বসিয়ে কি লাভ! আমার পক্ষে এই দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। আমি আমাদের রাজ্য সভানেত্রীকে চিঠি লিখে দল ছাড়ার কথা জানিয়েছি।' 

Advertisement

 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর তৃণমূলের বিদায়ী কমিটির জেলা সভাপতি সুজয় হাজরাকেও নিশানা করেন প্রদীপ। তিনি বলেন, 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে সময় থেকে দল চালাতে শুরু করেন, তখন থেকেই আমাকে অপমান করা হচ্ছে। আর দলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরাও দায়িত্ব নিয়ে খড়্গপুরকে ডুবিয়েছেন। এই ভোটেও অন্তর্ঘাত করা হয়েছে। দলকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলাম। কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।' প্রদীপের সংযোজন, 'মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের পাশে থেকে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। দিলীপ দা যেভাবে কাজ করছেন, খড়্গপুরে দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, আমরা গর্বিত। ওঁকে কুর্নিশ জানাই।' তবে কি বিজেপিতেই যাচ্ছেন? প্রদীপ বলেন, 'সেটা ভবিষ্যতই বলবে। তবে, রাজনীতিতেই থাকব। খড়্গপুরের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করব।' খড়্গপুরে 

বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি তথা জেলা কমিটির সদস্য শ্রী রাওয়ের কটাক্ষ, 'ভোটের আগে এই প্রদীপ সরকারই বলেছিলেন, খড়্গপুরের জন্য দিলীপ ঘোষ কি করেছেন! আর এখন প্রশংসা করছেন। আসলে ৪মে-র পর থেকে নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতে তৃণমূলের সবাই বিজেপিতে আসতে চাইছেন। খড়্গপুরের মানুষ কিন্তু চাইছেন, দুর্নীতির তদন্ত হোক।'

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ