মুম্বই: উদ্ধবের শিবসেনার পর শারদ পাওয়ারের এনসিপি। মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে একলা চলোর বার্তা মারাঠা স্ট্রংম্যানের। লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর মহাবিকাশ আঘাড়ি জোটের জটিলতা অব্যাহত। একই সঙ্গে এই প্রবীণ নেতা মঙ্গলবার স্পষ্ট বলেছেন, ‘যখন ইন্ডিয়া গঠিত হয়েছিল, তখন শুধু জাতীয় ইস্যু ও নির্বাচন নিয়েই কথা হয়েছিল। স্থানীয় বা রাজ্যের নির্বাচন নিয়ে কোনও কথাই হয়নি।’
Advertisement
বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরে জটিলতা ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা তথা জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ইন্ডিয়া জোটের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিশেষ করে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে দুই জোট শরিক আপ ও কংগ্রেসের পারস্পরিক লড়াই ও কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সুর শোনা গেল শারদ পাওয়ারের গলাতেও। মারাঠা নেতা বুঝিয়ে দিলেন, লোকসভা ভোটের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যত ইন্ডিয়ার কাজ শেষ হয়েছে। তাই বিভিন্ন রাজ্যের ভোটে বা স্থানীয় নির্বাচনে জোট শরিকদের পারস্পরিক লড়াইয়ের মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই।
সম্প্রতি উদ্ধব থ্যাকারের দল মহারাষ্ট্র পুর নির্বাচনে আলাদা লড়াই করার কথা বলেছিল। এদিন একই ইঙ্গিত শারদের গলাতেও। মঙ্গলবার মুম্বইয়ে পাওয়ার বলেন, পুরনির্বাচনে বিরোধী দলগুলি জোট বেঁধে লড়াই করবে কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে মহাবিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ) আলোচনায় বসবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন পাওয়ার। একইসঙ্গে কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়িয়ে এদিন পাওয়ার জানান, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেই সমর্থন করবে।
সম্প্রতি উদ্ধব থ্যাকারের দল মহারাষ্ট্র পুর নির্বাচনে আলাদা লড়াই করার কথা বলেছিল। এদিন একই ইঙ্গিত শারদের গলাতেও। মঙ্গলবার মুম্বইয়ে পাওয়ার বলেন, পুরনির্বাচনে বিরোধী দলগুলি জোট বেঁধে লড়াই করবে কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে মহাবিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ) আলোচনায় বসবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন পাওয়ার। একইসঙ্গে কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়িয়ে এদিন পাওয়ার জানান, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেই সমর্থন করবে।



