সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে একগুচ্ছ ট্রেন বাতিলের ঘোষণা আগেই করেছিল রেল। তার জেরে এদিন সকাল থেকে ভোগান্তি শুরু হয় যাত্রীদের। বিশেষ করে একাধিক মেমু বাতিল থাকায় সাধারণ যাত্রীরা সমস্যায় পড়েন। যাত্রীদের একটাই বক্তব্য, ছুটির দিনে রেল ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক নিতে পারে। তাহলে যাত্রীদের ভোগান্তি হতো না। পিচকুড়ির ঢাল এবং ভেদিয়া স্টেশনের মধ্যে লেভেল ক্রসিং গেটের (নম্বর ৫/বি/টি) পরিবর্তে সীমিত উচ্চতার সাবওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। তার জন্য বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে থেকে সকাল সাড়ে ন’টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক নেওয়া হয়। এতে বর্ধমান–তিনপাহাড়, রামপুরহাট ও আজিমগঞ্জ মিলিয়ে সাতটি মেমু ট্রেন বাতিল করা হয়। সেই সঙ্গে আপ গণদেবতা, ডাউন পদাতিক এক্সপ্রেস, ডাউন বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার সহ একাধিক ট্রেনের রুট ডাইভার্ট করা হয়। এছাড়া হাওড়া-ভাগলপুর বন্দে ভারত, কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাজিরাঙা এক্সপ্রেস বিলম্বে চলাচল করে। এই ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্তে সব থেকে বেশি ভুগতে হয়েছে বর্ধমান- তিনপাহাড় ও বর্ধমান–রামপুরহাট লাইনের যাত্রীদের। কারণ সব থেকে বেশি ট্রেন বাতিল এই লাইনেই। অনেকেই বর্ধমান থেকে তিনপাহাড় লোকাল ধরে রামপুরহাট, নলহাটি ও মুরারইয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজে আসেন। আবার এখান থেকে অনেকে লোকাল ট্রেন ধরে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রেও বর্ধমান মেডিক্যালে চিকিৎসার জন্য যান। সকলের এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব হয় না। এদিন সকাল থেকেই লোকাল ট্রেনের যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়েছিল রামপুরহাট জংশনে। তীব্র রোদ ও গরমে শিশু, লাগেজ নিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয় যাত্রীদের। অনেকেই লোকাল ট্রেনের অপেক্ষায় থেকে বাধ্য হয়ে বাস ধরতে চলে যান।



