সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: জন্মাষ্টমী এগিয়ে আসতেই বাড়ছে গোপাল মূর্তির চাহিদা। বিশেষ করে বাড়িতে পুজোর জন্য ছোট আকারের গোপাল মূর্তি কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের কাছে। শেষ মুহূর্তে মূর্তি তৈরির কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা। বিক্রিও ভালো হওয়ায় খুশি তাঁরা।
আগামী শুক্রবার জন্মাষ্টমী। হাতে আর মাত্র দু’দিন। তাই গোপালের মূর্তিতে শেষ মুহূর্তের রং ও সাজসজ্জার কাজ নিয়ে ব্যস্ত কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীরা। ইতিমধ্যেই তৈরি হওয়া বেশ কিছু মূর্তি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছে। আর যা আছে তা বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পৌঁছে যাবে।
শিল্পীদের কথায়, এবছর বাড়ির পুজোর জন্য ছোট আকারের গোপালের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে অনেক পরিবারেই বাড়িতে ধুমধাম করে জন্মাষ্টমী পালন করা হয়। বাড়িতে জায়গা কম থাকার কারণেই বড় মূর্তির পরিবর্তে ছোট গোপালকেই পছন্দ করছেন অধিকাংশ ক্রেতা। ফলে ছোট মাপের গোপাল মূর্তি তৈরিতে বেশি জোর দিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশিরভাগ মৃৎশিল্পীরা বলেন, কয়েক বছর আগেও বাড়িতে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপাল মূর্তি কেনার প্রবণতা এতটা ছিল না। বর্তমানে বাড়িতে বাড়িতে গোপাল পুজো ও জন্মাষ্টমী পালনের প্রবণতা বেড়েছে। ফলে প্রতিবছরই ছোট গোপাল মূর্তির চাহিদা বাড়ছে। অনেকেই নিজের বাড়ির পুজোর পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের উপহার দেওয়ার জন্যও ছোট গোপাল কিনছেন। ছোট গোপাল মূর্তির দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা থেকে। মূর্তির আকার, নকশা, রং ও সাজসজ্জার ওপর নির্ভর করে দাম আরও বাড়ছে। জন্মাষ্টমীর আগে শেষ মুহূর্তের বিক্রিতেও ভালো সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।ভাতজাংলা থেকে গোপাল মূর্তি কিনতে আসা মুক্তি দে বলেন, জন্মাষ্টমীতে বাড়িতে প্রতিবছরই গোপালের পুজো করা হয়। এবার ছোট মূর্তিতেই পুজো করতে হয়। মৃৎশিল্পী স্বরূপ ঘোষ বলেন, প্রতিবছর গোপালের চাহিদা বাড়ছে। আগে এত বিক্রি হতো না। ছোট গোপাল মূর্তি গুলোর চাহিদাই বেশি। বিক্রি বেশি হয় আমাদের লাভের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। নিজস্ব চিত্র