Bartaman Logo
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উল্টোডাঙার ওল্ড দুর্গাপুর সেতুতে গর্ত, মেশিন ও বিটুমিন চেয়ে পুরসভার দ্বারস্থ কেএমডিএ

উল্টোডাঙার ওল্ড দুর্গাপুর ব্রিজের রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। ওই সেতু ধরে গাড়িতে গেলে রীতিমতো কোমর ব্যাথা হওয়ার জোগাড়!

উল্টোডাঙার ওল্ড দুর্গাপুর সেতুতে গর্ত, মেশিন ও বিটুমিন চেয়ে পুরসভার দ্বারস্থ কেএমডিএ
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উল্টোডাঙার ওল্ড দুর্গাপুর ব্রিজের রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। ওই সেতু ধরে গাড়িতে গেলে রীতিমতো কোমর ব্যাথা হওয়ার জোগাড়! এই অবস্থায় আজ, শনিবার ভোররাতে ওই রাস্তা মেরামতির কাজ হওয়ার কথা ছিল। তবে তা করতে পারছে না কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ)। কারণ, এই কাজের জন্য কলকাতা পুরসভা থেকে প্রয়োজনীয় মেশিন ও বিটুমিন চেয়েও পায়নি তারা। তাই পুলিশের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও কাজ করা যাচ্ছে না। প্রশাসনিক জটিলতায় বাড়ছে নাগরিক দুর্ভোগ।

Advertisement

কলকাতা ও ভিআইপি রোড সংযোগকারী ওল্ড দুর্গাপুর ব্রিজ বছর দু’য়েক আগে সার্বিক সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু মাস আটেক পর থেকে ফের খারাপ হতে শুরু করে রাস্তা। গত বছর পুজোর সময় প্যাচওয়ার্ক হয়। দিনে দিনে সেই রাস্তা আরও বেহাল হয়েছে। চলতি বর্ষায় পিচের আস্তরণ উঠে গিয়ে বহু জায়গায় তৈরি হয়েছে বিপজ্জনক গর্ত। 
অটোচালক সোমনাথ ঘোষ বলেন, ‘এই অংশে গাড়ি চালানো যেন রোলার কোস্টারে ওঠার মতো পরিস্থিতি।’ অভিযোগ, উড়ালপুলের দু’প্রান্তের পথ মোটামুটি ঠিক থাকলেও সেতুটির মাঝখানে রাস্তার হাল খুবই খারাপ। একাধিক স্থানে তৈরি হয়েছে ছোটো-মাঝারি সাইজের গর্ত। তাতে বৃষ্টির জল জমছে। গর্ত ক্রমে বড়ো হচ্ছে। নতুন করে খানাখন্দ তৈরি হচ্ছে। 
কেএমডিএ সূত্রে খবর, রাস্তা মেরামতির উদ্যোগ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের অনুমতিও মিলেছিল। ১২ সেপ্টেম্বর ভোররাতে কাজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা করা যায়নি। কারণ, ওই রাস্তার পুরানো পিচ তুলে ফেলার জন্য কলকাতা পুরসভার কাছে মিলিং মেশিন ও ৩০ টন বিটুমিন চাওয়া হয়েছে। কিনেই নেওয়া হবে। কিন্তু তার অনুমোদন এখনও মেলেনি। কেএমডিএর এক কর্তা বলেন, ‘কলকাতা পুরসভা ফাইল আটকে রেখেছে। নানা কাজে পুর-কর্তৃপক্ষ ব্যস্ত। তাই ফাইল নড়ছে না।’
এই অবস্থায় রোজ আরও খারাপ হচ্ছে উড়ালপুলের রাস্তার অবস্থা। দুর্ভোগের শেষ নেই। বাগুইআটির বাসিন্দা স্নেহা সাহা বলেন, ‘অবস্থা অসহনীয়। বাস বা বাইক—ঝাঁকুনি খেতে কেতে কোমর ব্যাথা হয়ে যায়।’ - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ