Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফের বিশ্বভারতীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নামে পোস্টার

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাস ও আশ্রম এলাকার বিভিন্ন দেওয়ালে ককরোচ জনতা পার্টির নামাঙ্কিত পোস্টার পড়ে।

ফের বিশ্বভারতীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নামে পোস্টার
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাস ও আশ্রম এলাকার বিভিন্ন দেওয়ালে ককরোচ জনতা পার্টির নামাঙ্কিত পোস্টার পড়ে। সেই পোস্টারে বিনয় ভবন ও সঙ্গীত ভবনের নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। শনিবার তার জবাব দিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। প্রেস বিবৃতিতে পোস্টারের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে দাবি করা হয়। উল্লেখ্য, এদিন সকালে বিশ্বভারতীর বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টার সাঁটা ছিল। সেখানে বিনয় ভবন ও সঙ্গীত ভবনের নিয়োগ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষা বিভাগের মিউজিকের সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ এবং সঙ্গীত ভবনে সহকারী অধ্যাপক পদে ওবিসি প্রার্থী হিসেবে এক অধ্যাপকের ছেলেকে ইন্টারভিউয়ের তালিকায় রাখা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরিবারের আয় এবং ওবিসি সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগগুলির কোনওটিরই স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কে বা কারা পোস্টার দিয়েছে, তাও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

এর পরেই শনিবার বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিকের তরফ থেকে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 
কর্তৃপক্ষ জানায়, পোস্টার দেওয়ার ঘটনায় শান্তিনিকেতন থানায় এফআইআর হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, বিশ্বভারতীর দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই হয়। যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নিয়োগ পর্ব চলে। ইউজিসির নিয়মও মানা হয়। দেশের বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি সহ প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয় বলেও দাবি কর্তৃপক্ষের। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তার প্রমাণ প্রকাশ্যে আনা উচিত। নামহীন পোস্টার বা গোপন প্রচারের মাধ্যমে অভিযোগ তোলা গ্রহণযোগ্য নয়। 
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নাম ব্যবহার করে পোস্টার সাঁটানো হলেও কারা এর পিছনে রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিশ্বভারতী। কয়েকজনের কাজের দায় সংগঠনের উপর চাপানো ঠিক নয় বলেও দাবি করা হয়। সাধারণ মানুষকে এই ধরনের পোস্টার বা প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিশ্বভারতী। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। মিথ্যা বা ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ