Bartaman Logo
৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিএমএসের বিরুদ্ধে পোস্টার অফিসের দেওয়ালে

ডিপিএল কোক ওভেন কলোনি এলাকায় ভারতীয় মজদুর সংঘের (বিএমএস) কার্যালয়ের দেওয়ালে একগুচ্ছ অভিযোগ সংবলিত পোস্টার।

বিএমএসের বিরুদ্ধে পোস্টার অফিসের দেওয়ালে
  • ৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: ডিপিএল কোক ওভেন কলোনি এলাকায় ভারতীয় মজদুর সংঘের (বিএমএস) কার্যালয়ের দেওয়ালে একগুচ্ছ অভিযোগ সংবলিত পোস্টার। সেই পোস্টারে সংগঠনেরই শীর্ষ নেতাদের নাম ও ফোন নম্বর প্রকাশ্যে এনে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে রিটার্ন জমা না দেওয়া, সাধারণ কর্মীদের সদস্যপদের অর্থ গায়েব করা, বিদ্যুত চুরির মতো গুরুতর অনিয়ম! শুধু তাই নয়, পিএফ ট্রাস্ট বোর্ডে তৃণমূলের প্রতিনিধি বসিয়ে তলে তলে আঁতাতের মারাত্মক অভিযোগও আনা হয়েছে ওই পোস্টারে।

Advertisement

যদিও সমস্ত অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বিএমএস ডিপিএল-এর জেনারেল সেক্রেটারি নিমাই কর্মকার বলেন, ‘রিটার্ন জমা না দেওয়ার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, সমস্ত আপডেট আমাদের কাছে প্রস্তুত। বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা চলছে এবং পিএফ ট্রাস্টের বিষয়টি আরএসএস পরিচালনা করে, বিএমএসের হাত নেই।’
একই সুর শোনা গেছে বিএমএসের জেলা সম্পাদক মৃন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘সদস্যপদ বাবদ নির্ধারিত অর্থ নেওয়াকে তোলাবাজি বলা হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। বিএমএস কোনোদিন তোলা তোলে না, দিনে ১ টাকা হারে মেম্বারশিপ ফি নেয়। ৪ঠা মে-র আগে কার্যালয়টি আইএনটিটিইউসির দখলে ছিল এবং সেই সময় বিদ্যুতের বিল পরিশোধ হতো কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। তৃণমূলের আমলেই মিটার গায়েব করা হয়েছিল, সেই পুরনো দুর্নীতির দায় এখন বিএমএসের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা চলছে।’
জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, ‘এই তৃণমূল-ফেরত বিজেপি নেতাদের থেকে ভালো কিছু আশা করাই ভুল। এরা ক্যান্সারের মতো তৃণমূলকে শেষ করেছে, এখন বিজেপিকেও শেষ করবে।’
একই সুরে সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য সিদ্ধার্থ বসু বলেন, ‘তৃণমূলের ছেড়ে যাওয়া চটিতেই পা গলিয়েছে বিজেপি। বিএমএসে এখন তৃণমূলের তোলাবাজরা ঢুকে বেআইনি কাজকর্ম চালাচ্ছে। বিজেপির যে অংশ বখরা পাচ্ছে না, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে পোস্টার মারছে! বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই এই পোস্টার।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ