Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

এবার পরিষেবা পার্সোনালাইজড, আসছে নয়া এটিএমও! জটিলতা কাটল ডাকঘরের ডেবিট কার্ডে

দীর্ঘদিন এটিএম তথা ডেবিট কার্ড পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন পোস্ট অফিসের গ্রাহকরা। অবশেষে সেই সমস্যা মিটতে চলেছে। ডাক বিভাগের কর্তারা জানাচ্ছেন, এবার পোস্ট অফিসগুলিতে আবেদন করলে নতুন এটিএম কার্ড পাবেন গ্রাহক।

এবার পরিষেবা পার্সোনালাইজড, আসছে নয়া এটিএমও! জটিলতা কাটল ডাকঘরের ডেবিট কার্ডে
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: দীর্ঘদিন এটিএম তথা ডেবিট কার্ড পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন পোস্ট অফিসের গ্রাহকরা। অবশেষে সেই সমস্যা মিটতে চলেছে। ডাক বিভাগের কর্তারা জানাচ্ছেন, এবার পোস্ট অফিসগুলিতে আবেদন করলে নতুন এটিএম কার্ড পাবেন গ্রাহক। এর আগে বেশিরভাগ এটিএম কার্ডে গ্রাহকের নাম লেখা থাকত না। এবার থেকে তাও থাকবে। অর্থাৎ ‘পার্সোনালাইজড ডেবিট কার্ড’-এর উপর বাড়তি গুরুত্ব দিতে চলেছে ডাক বিভাগ। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন অকেজো হয়ে পড়ে থাকা ডাক বিভাগের এটিএম বা অটোমেটেড টেলার মেশিনগুলি মেরামতির কাজ শুরু করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। 

Advertisement

অন্যান্য ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় পোস্ট অফিসের এটিএম পরিষেবার খরচ তুলনামূলক কম। তাই কার্ডগুলির জনপ্রিয়তাও যথেষ্ট। কিন্তু গত কয়েক মাসে যাঁদের এটিএম কার্ডের মেয়াদ ফুরিয়েছে, তাঁরা নতুন কার্ডের জন্য ডাকঘরে যোগাযোগ করেও কোনও সদুত্তর পাননি। ফলে এটিএমের মাধ্যমে কোনও লেনদেন করতে পারেননি তাঁরা। ডাক বিভাগের কর্তারা তখন জানিয়েছিলেন, নতুন কার্ডের জোগান না থাকাতেই ফেরাতে হয়েছে গ্রাহকদের।
এর আগে যখন ডাকঘরের গ্রাহকদের এটিএম কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল, তখন পার্সোনালাইজড কার্ডের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সাধারণ কার্ডই দেওয়া হয়েছিল। কার্ডের সুষ্ঠু বণ্টনেও খামতি থেকে গিয়েছিল সেই সময়। যেমন ডাক বিভাগের এক কর্তা বলছিলেন, ‘যেসব পোস্ট অফিসে কার্ডের তেমন চাহিদা ছিল না, সেখানে হয়তো অনেকগুলি কার্ড পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর যেখানে চাহিদা বেশি ছিল, সেখানে কার্ডের জোগান পর্যাপ্ত না হওয়ায় গ্রাহকদের ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। ফলে অনেক এটিএম কার্ড কাউকে দেওয়াই সম্ভব হয়নি। সেগুলি পড়ে রয়েছে। একই সময়ে বহু জায়গায় গ্রাহক কার্ড চেয়েও পাননি। এই সঙ্কট কাটাতেই এবার পার্সোনালাইজড বা গ্রাহকের নাম লেখা কার্ডের উপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত।’ ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট একটি ফর্ম পূরণ করে গ্রাহককে কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। তার কয়েকদিন পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানায় পৌঁছে যাবে কার্ড। তার দু’একদিনের মধ্যে ডাকযোগেই পৌঁছে দেওয়া হবে কার্ডের পিন। এরপর গ্রাহক যে কোনও এটিএম কাউন্টারে গিয়ে কার্ডটি ‘অ্যাক্টিভেট’ বা চালু করতে পারবেন। কার্ডগুলি ব্যাঙ্ক সহ যে কোনও এটিএমে ব্যবহার করা যাবে। 
পশ্চিমবঙ্গে ডাকঘরের যে ক’টি এটিএম ছিল, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ার ফলে সেগুলির সিংহভাগই বর্তমানে অকেজো হয়ে রয়েছে। তাই মেশিনগুলি নতুন করে চালুর জন্য অর্থবরাদ্দ হয়েছে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে খবর। লক্ষ লক্ষ গ্রাহক শীঘ্রই ডাকঘরের উন্নত এটিএম পরিষেবা পাবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন দপ্তরের কর্তারা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ