নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তাটি জগৎবল্লভপুরের মুন্সিরহাটকে যুক্ত করেছে ইছানগরীর সঙ্গে। সে পথ এখন কার্যত মরণফাঁদ। খানাখন্দে ভর্তি। তা অবিলম্বে মেরামতের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তাটি জগৎবল্লভপুরের মুন্সিরহাটকে যুক্ত করেছে ইছানগরীর সঙ্গে। সে পথ এখন কার্যত মরণফাঁদ। খানাখন্দে ভর্তি। তা অবিলম্বে মেরামতের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জগৎবল্লভপুরের মুন্সিরহাটের চাঁদনি মোড় থেকে পথটি গিয়েছে জগৎবল্লভপুরের ইছানগরী পর্যন্ত। স্থানীয়রা এটিকে মুলকচাঁদের বাঁধ নামে ডাকেন। গ্রামীণ হাসপাতাল, শোভারানি মেমোরিয়াল কলেজে যাতায়াতের এটি অন্যতম পথ। প্রতিদিন কয়েক হাজার পড়ুয়া ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। শুধু জগৎবল্লভপুর নয় আমতা সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষের কাছেও যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই পথ। গত কয়েক মাস ধরে এর উপর থেকে পিচের প্রলেপ উঠে গিয়ে কঙ্কালসার চেহারা বেরিয়ে এসেছে। জায়গায় জায়গায় তৈরি হয়েছে বড় আকারের গর্ত। চলতে গিয়ে উল্টে যাচ্ছে টোটো। প্রায়শই ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। পঞ্চায়েত তখন রাস্তা মেরামত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।
বর্ষা চলে আসায় রাস্তাটি আরও দুর্ভোগের হয়ে গিয়েছে। জলে ডুবে গিয়েছে গর্ত। ফলে খন্দ পথ আন্দাজ করতে না পেরে সমস্যায় পড়ছেন গাড়ির চালকরা। গতি কমছে। বাড়ছে যানজট। হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতে সমস্যায় পড়ছেন অ্যাম্বুল্যান্স চালক। মনসুর আলি নামের এক অ্যাম্বুল্যান্স চালক বলেন, ‘আগে এই রাস্তা দিয়ে যেতে বেশি সময় লাগত না। এখন গর্তে জমা জল থাকার কারণে খুব সাবধানে গাড়ি চালাতে হয়। রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে দেরি হয়। দ্রুত রাস্তার মেরামত প্রয়োজন।’ জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তা সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে ডিপিআর পাঠানো হয়েছে। কাজের অনুমোদন মিললে মেরামত শুরু হবে। ফলে চলতি বর্ষায় ভোগান্তি আরও বাড়তে চলেছে বলে আতঙ্কে জগৎবল্লভপুর এক নম্বর পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। - নিজস্ব চিত্র