সংবাদদাতা, ইটাহার: আবর্জনা ফেলার আড়ালে নিঃশব্দে চলছে বেআইনিভাবে পুকুর ভরাট! অভিযোগ, ইটাহারের হাটখোলা এলাকায় মালিকানাধীন একটি পুকুরে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সেই আবর্জনায় মাঝেমধ্যে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবর্জনার স্তুপ থেকে নির্গত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে জনবহুল এলাকায়। দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে সমস্যায় পড়ছেন এলাকার মানুষ সহ ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ইটাহারের বিএলআরও স্বরূপ দত্ত এবং ইটাহার থানার আইসি গৌতম চৌধুরী। বিএলআরও পুকুরের মালিককে সতর্ক করেছেন। যাতে আবর্জনা ফেলে পুকুরটি ভরাট করা না হয়।
ইটাহার বিডিও অফিস যাওয়ার রাস্তার ধারে হাটখোলা এলাকায় রয়েছে পুকুরটি। তার ১৫০ মিটারের মধ্যে ইটাহার বিডিও, বিএলআরও, গ্রাম পঞ্চায়েত, থানা সহ একাধিক প্রশাসন দপ্তর। পাশেই রয়েছে সরকারি স্কুলের হস্টেল। কিন্তু প্রশাসনের নাকের ডগায় আবর্জনা ফেলে সেই পুকুর ভরাট চলছে বলে অভিযোগ। কয়েক বছর ধরে ইটাহার সদর এলাকার সাপ্তাহিক হাট, বাজার, রেস্তরাঁ, হোটেল, দোকানের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পুকুরটিতে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, আবর্জনা ফেলে পুকুরটি ভরাট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকার বাসিন্দা থেকে পথচলতি মানুষ। স্থানীয় ব্যবসায়ী সন্তু দত্ত বলেন, প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, আবর্জনা ফেলে পুকুরটি ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছে। প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ করছে না। এবিষয়ে ইটাহারের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক অজয় চক্রবর্তী বলেন, একদিকে পরিবেশ দূষণ, অন্যদিকে নিঃশব্দে পুকুর ভরাট চলছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। তারপরও প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই। পুকুরটির মালিকপক্ষের তরফে শুভদীপ মজুমদার বলেন, আমরা পুকুর ভরাট করিনি। এলাকার মানুষই আবর্জনা ফেলছে। ইটাহারের বিএলআরও স্বরূপ দত্ত বলেন, বিষয়টি আমরা নজরে রাখছি। ইটাহারে এই পুকুরটি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।