


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কমিশনের নয়া নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যে প্রায় ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার জন্য রাজ্যের সমস্ত স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শুক্রবার বৈঠক করল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তর। সর্বদল বৈঠক যে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে এমনটা নয়, বাড়তি বুথ নিয়ে তাদের মতামতের কথা জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, বাড়তি বুথের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলি ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জানাতে পারবে। পদক্ষেপ করা হবে সেগুলি খতিয়ে দেখেই।
বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ছিলেন দুই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও পুলক রায় এবং সাংসদ পার্থ ভৌমিক। বৈঠক শেষে অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘বুথের পুনর্বিন্যাস নিয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। আমরা বলেছি, অতিরিক্ত বুথ যেন একই ভোটকেন্দ্রে হয়। ভোট দিতে কাউকে যেন ২ কিমি দূরে যেতে না-হয়।’
তবে এসআইআর নিয়ে তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। কোনও রাজনৈতিক দলকে সন্তুষ্ট করা যাবে না। এসআইআর হবে না পশ্চিমবঙ্গে। এসআইআর-এর নামে কাউকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া চলবে না।’
অন্যদিকে, বুথ বিন্যাস প্রসঙ্গে জেলাশাসকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। কংগ্রেসের পক্ষে আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, খাজা আহমেদ, মৃণাল নস্কর ‘নো পলিটিক্যাল এসআইআর’ পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকের পর আশুতোষ বলেন, ‘অসম্পূর্ণ বৈঠক। বুথ বিন্যাস নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কয়েকজন ডিইও তৃণমূলের কথায় কাজ করছেন।’ বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০,৬৬১। এর সঙ্গে আরও ১৩,৮১৬টি বুথ যুক্ত হলে সংখ্যাটি সর্বমোট দাঁড়াবে ৯৪,৪৯৭। বৈঠকের নির্যাস এবং যাবতীয় তথ্যাদি সংবলিত রিপোর্ট কমিশনে পাঠাবে সিইও অফিস।