পুজোর সময় বিরিয়ানিতে ‘পালিশ রং’  মেশানো হচ্ছে না তো? চলবে নজরদারি
  • ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে রাস্তার পাশে অস্থায়ী স্টলে বিরিয়ানি খাওয়ার লাইন পড়ে যায়। কিন্তু পুজোর সময় রাস্তার পাশের দোকানের এসব বিরিয়ানি কতটা স্বাস্থ্যকর? বিরিয়ানিতে  ‘পালিশ রং’ বা ‘মেটানিল ইয়েলো’ মেশানো হচ্ছে না তো? বিষয়টি নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। তাই পুজোর সময় বিরিয়ানি সহ অন্যান্য খাবারের গুণগত মান যাচাই করবে বনগাঁ মহকুমা খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ। চালাবে কড়া নজরদারিও।বিরিয়ানিকে আরও চটকদার করে তুলতে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিকর ‘পালিশ রং’ করেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাওয়ার যোগ্য রং মেশাতে গেলে খরচ অনেকটা বেশি হয়। তাই সস্তার এই রং অনেকে ব্যবহার করেন। মাত্র ৬ টাকায় এক প্যাকেট ‘মেটানিল ইয়েলো’ পাওয়া যায় বাজারে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মত রঙের মাত্র আধ মিলিগ্রামের দাম পড়ে প্রায় ১২০ টাকা। শহরের এক বিরিয়ানি স্টলের মালিক বলেন, ‘একটি বিরিয়ানি ২৪০-২৭০ টাকা। কিন্তু প্রতিযোগিতার বাজারে আমাদের ৬০-৭০ টাকায় চিকেন বিরিয়ানি দিতে হচ্ছে। ফলে খরচের কথাটাও ভাবতে হচ্ছে।’ দিন কয়েক আগে বনগাঁ শহরের কয়েকটি রেস্তরাঁয় হানা দিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সংগ্রহ করা নমুনায় তাঁরা এই ক্ষতিকর রঙের সন্ধান পান। তবে খুবই কম মাত্রায় পাওয়া গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, মাত্রা কম হলেও এই রং শরীরে গেলে বিপজ্জনক হতে পারে। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক সাহারায় বলেন, ‘মেটানিল ইয়েলো খাবারে মেশানো হচ্ছে কি না, পুজোর সময় সেদিকে নজর রাখা হবে।’ 

Advertisement