নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পুজোয় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জলপাইগুড়িতে সারারাত মোতায়েন থাকবে পুলিশ। আজ, বুধবার পুজোর গাইড ম্যাপ উদ্বোধনের পর এমনটাই জানালেন জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খণ্ডবাহালে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ হলে পুজোর গাইড ম্যাপ উদ্বোধনের পাশাপাশি পুজো কমিটিগুলির হাতে রাজ্য সরকারের দেওয়া অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
এবার জলপাইগুড়ি জেলায় ৮৯১টি পুজো কমিটিকে রাজ্য সরকারের তরফে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা এলাকার ২০টি পুজো কমিটির হাতে রাজ্য সরকারের দেওয়া পুজো অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।
দর্শনার্থীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশ করা হল বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। কোন পুজো দেখতে হলে কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হবে তা যেমন ওই গাইড ম্যাপে তুলে ধরা হয়েছে, তেমনই কোন কোন রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে, উল্লেখ রয়েছে সেটাও। এছাড়াও গাইড ম্যাপে রাখা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। পুজো দেখতে বেরিয়ে কোনওরকম সমস্যায় পড়লে ওই হেল্পলাইনে ফোন করা মাত্রই পৌঁছে যাবে পুলিশ। গাইড ম্যাপে রাখা হয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের হেল্প লাইন নম্বরও। ওই নম্বরে ফোন করলে দ্রুত ঘটনাস্থলে চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে যাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রয়োজনে পৌঁছে যাবে অ্যাম্বুলেন্স।
পুজোর গাইড ম্যাপ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণারায় বর্মন, জেলাশাসক শমা পারভীন, পুলিশের জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি নিম্বলকর সন্তোষ উত্তমরাও, জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খণ্ডবাহালে, জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল।
পুলিশ সুপার বলেন, মহালয়া থেকেই জলপাইগুড়ি শহর সহ জেলার বিভিন্ন শহরে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে টোটো নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। উৎসব নির্বিঘ্ন করতে সদা তৎপর পুলিশ প্রশাসন। মহিলাদের সুরক্ষায় রাস্তায় রয়েছে পিঙ্ক পুলিশ ও পুলিশের উইনার্স বাহিনী। তারা বিভিন্ন পুজো মার্কেটেও নজরদারি চালাচ্ছে। এছাড়া পুজোর সময় সাদা পোশাকের প্রচুর পুলিশ থাকবে। নামানো হচ্ছে পুলিশের বাইক বাহিনী ও সাইকেলেও টহল দেবে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার সংখ্যা অনেক বাড়ানো হয়েছে।