হাসপাতালের রক্ষীরা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল কি না, খতিয়ে দেখুক পুলিশ: মহিলা কমিশন সদস্য
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বিভিন্ন হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এজেন্সি এবং নিরাপত্তাকর্মীদের অপরাধের কোনও ইতিহাস রাখা হচ্ছে না। সরকারও এনিয়ে কোনও পদক্ষেপ করছে না। তার ফলেই বিভিন্ন হাসপাতালে এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। তবে এটা চলতে দেওয়া যাবে না, বন্ধ করতে হবে। সোমবার উলুবেড়িয়া মেডিকেল কলেজে মহিলা চিকিৎসক নিগ্রহের তদন্তে এসে একথা বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার। এদিন তিনি অভিযোগ করেন, রোগীদের ওষুধ কেনা থেকে ল্যাবরেটরির পরীক্ষা— সবকিছুই কয়েকজন নিয়ন্ত্রণ করছে। এইসব নিয়ম বন্ধ না হলে হাসপাতালের পরিবেশ ভালো হবে না।

Advertisement

এদিন তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, নার্সিং স্টাফ, পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। এখানে নিরাপত্তার অনেক ঘাটতি আছে। অর্চনা মজুমদার অভিযোগ করেন, এখানে নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে এমন একজন আছেন, যিনি নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করেন। তিনি মনে করেন, তিনি যা কিছু করতে পারেন, কিন্তু তাঁর কিছু হবে না। বিভিন্ন হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এজেন্সিগুলির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড আছে, তাঁরাও নিশ্চিন্তে হাসপাতালে কাজ করছেন। তাঁদের পুরনো কোনও অপরাধের ইতিহাস আছে কি না, মহিলাদের সঙ্গে তাঁরা আগে কোনও দুর্ব্যবহার করেছেন কি না, তাঁরা জেল খেটেছেন কি না– এইসব তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে থাকতে হবে। ঘটনার দিন কীভাবে ফিমেল মেটারনিটি ওয়ার্ডে ১৫ জন প্রবেশ করলেন, সেই প্রশ্নও তোলেন অর্চনাদেবী।