সংবাদদাতা, বজবজ ও বারুইপুর: পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে মজুত বাজি বিস্ফোরণের জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনায় নড়েচড়ে বসল পুলিস ও প্রশাসন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বেশ কিছু এলাকায় আতসবাজি তৈরি হয়। তার মধ্যে চম্পাহাটি, হাড়াল, মহেশতলা, নোদাখালি, নুঙ্গি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এইসব জায়গায় নিষিদ্ধ শব্দবাজির ছড়াছড়ি। বুধবার বারুইপুর পুলিস জেলা ও ডায়মন্ডহারবার পুলিস জেলার আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ১৮৮ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি ও বাজির মশলা উদ্ধার করেছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট পাঁচজনকে। দুই পুলিস জেলা থেকে জানানো হয়েছে, এখন প্রতিদিনই তল্লাশি অভিযান চলবে।
ডায়মন্ডহারবার পুলিস জেলার নোদাখালি থানা এলাকার মোহনপুর গ্রামের দাসপাড়া ও প্রামাণিকপাড়া থেকে ৪৬ কেজি বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার করেছে। বেআইনিভাবে তা মজুত করার অভিযোগে সৌম্যদীপ দাস নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইভাবে বজবজ থানা এলাকার চিংড়িপোতা থেকে বাজি তৈরিতে ব্যবহৃত প্রায় ৪০ কেজি কাঁচা মাল উদ্ধার হয়েছে। পাকড়াও করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। মহেশতলা থানা পুটখালি বলরামপুর এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬২ কেজি নিষিদ্ধ বাজি ও বাজির মশলা। এখান থেকেও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বারুইপুর পুলিস জেলার অন্তর্গত হাড়ালে অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে বারুইপুর থানা। তার মধ্যে বেশিরভাগই চকোলেট বোম। বারুইপুর পুলিস জেলার সুপার পলাশ ঢালি বলেন, ওই বাজি কারখানার মালিক পলাতক। তবে সেখান থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগেও এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল পুলিস।