Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুলিস অফিসারের ভাইয়ের প্রতারণা চক্র, ৩১ লক্ষ টাকার বেশি হাতিয়ে গ্রেপ্তার পাঁচ

পুলিস অফিসারের ভাইয়ের প্রতারণা চক্র, ৩১ লক্ষ টাকার বেশি হাতিয়ে গ্রেপ্তার পাঁচ
  • ১৩ জুলাই, ২০২৫ ০৩:৫৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বাঘের ঘরেই ঘোগের বাসা! দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের নিউ বারাকপুরের বাড়িতে সন্ধান মিলল প্রতারণা চক্রের। যদিও বর্তমানে পুলিস অফিসারের বাড়িটিতে তাঁর ভাই থাকেন। অভিযোগ, সেই ভাইয়ের উদ্যোগে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে শুধুমাত্র একজনের কাছ থেকেই হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৩১ লক্ষাধিক টাকা। এই ঘটনায় বিধাননগর সাইবার ক্রাইম শাখার পুলিস ওই পুলিস অফিসারের ভাই সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন রাজা পাল, বিকাশ সমাদ্দার, রাজদীপ দে, রাজ পল, সুমন্ত মণ্ডল। ধৃত সুমন্ত ওরফে সৌরভ ওই পুলিস অফিসারের ভাই বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, ১৫টি ডেবিট কার্ড, চারটি সিম কার্ড, একটি রাবার স্টাম্প ও তিনটি ব্যাঙ্কের চেক বই উদ্ধার করেছে পুলিস। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ বারাকপুরের লিচুবাগানের লেলিন সরণিতে একটি বাড়ি রয়েছে ওই পুলিস অফিসারের পরিবারের। যদিও ওই পুলিস অফিসারের ভাই এবং ভাইপো এখন থাকেন ওই বাড়িতে। সেখানে ঘর ভাড়া নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল একটি চক্র। অভিযোগ, চক্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন ওই পুলিস অফিসারের ভাই।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিধাননগর পুলিসের সাইবার ক্রাইম বিভাগের বিশেষ তদন্তকারী দল শুক্রবার মধ্যরাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এরপর নিউ বারাকপুর এবং মধ্যমগ্রাম থেকে এই প্রতারণা চক্রের মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, একজন পুলিস অফিসারের বাড়িতে কী করে এই প্রতারণা চক্র চলছিল? সম্প্রতি জনৈক দিবাকর নাইকের স্ত্রী পুষ্পালতা নাইক অভিযোগ করেন যে, বেশি লাভের আশায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তিনি ৩১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু ওই টাকা আত্মসাৎ করে নেন প্রতারকরা। তারপরই পুলিস তদন্তে নামে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ