Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ইডির হাতে ধৃত নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট পুলিশের

ইডির হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার কলকাতার নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ

ইডির হাতে ধৃত নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট পুলিশের
  • ২০ মে, ২০২৬ ০৪:০০

সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: ইডির হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার কলকাতার নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কলকাতা পুলিশ। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আলিপুর আদালতে এই চার্জশিট পেশ করেছে কলকাতার পর্ণশ্রী থানার পুলিশ। ২০২৪ সালে মার্চ মাসে বেহালার প্রোমোটার যিশু জৈনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে নেমে এই চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ।

Advertisement

একদা বেহালার ‘ত্রাস’ বর্তমানে পেশায় প্রোমোটার যিশু জৈনের অভিযোগ ছিল, কলকাতার নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের নির্মীয়মাণ আবাসন প্রকল্পে কাজের জন্য তাঁর সঙ্গে জয় কামদারের সংস্থা সান কনস্ট্রাকশনের ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার লিখিত চুক্তি হয়েছিল। যিশুর অভিযোগ ছিল, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও চুক্তি অনুসারে ৪ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা মেটায়নি ওই সংস্থা। বাধ্য হয়েই পর্ণশ্রী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যিশু। যার ভিত্তিতে জয় কামদারের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়। এরপরই প্রভাবশালী নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদার তাঁর ঘনিষ্ঠ কলকাতার দুই আইপিএস অফিসারকে কাজে লাগিয়ে এন্টালি এবং নিউ আলিপুর থানায় তোলাবাজি এবং অস্ত্র আইনে যিশুকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে।
পাশাপাশি বর্তমানে ইডির হাতে ধৃত ডিসি তথা ওয়েলফেয়ার কর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস তাঁর ঘনিষ্ঠ জয় কামদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে, সান কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে জয় কামদারের কোনো যোগ নেই বলে আদালতে জানিয়ে দেন। এরপর পুলিশি তদন্তে অখুশি যিশু জৈন বাধ্য হয়ে আলিপুর আদালতে না-রাজি পিটিশিন দাখিল করে ফের তদন্ত চান। যিশুর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তদন্তকারী অফিসারকে বদলে দেয়।
গত ২০ এপ্রিল জমি দখলের পাশাপাশি বেআইনি লেনেদেনে জড়িত থাকার অভিযোগে জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করে ইডি। রাজ্যে পরিস্থিতি বদলের পর মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী অফিসার রজত মণ্ডল জয় কামদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন। এর ফলে নতুন করে বিপাকে পড়েন জয় কামদার। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের সমস্ত মামলা এখন ইডির নজরে রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ