আমেদাবাদ: রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের একটি গাড়ি। তার বনেটের উপর এক যুবককে উপুড় করে হাত চেপে ধরে রেখেছেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। আর একজন পুলিশকর্মী লাঠি দিয়ে ওই যুবকের কোমর ও পায়ে একের পর এক আঘাত করছেন। সম্প্রতি গুজরাতের আমেদাবাদের ভিজালপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ‘বর্তমান’ ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি। এই ঘটনায় গুজরাতের মুখ্য সচিব, পুলিশের ডিজি, আমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার সহ প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে আইনি নোটিস পাঠাল মাইনোরিটি কোঅর্ডিনেশন কমিটি (এমসিসি)। গত ৭ মে ভিজালপুরের সোনাল সিনেমার কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।
গোহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগে মহম্মদ আজিজ শেখ নামে ওই যুবককে আটক করা হয়। তারপর তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার বদলে রাস্তাতেই বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আইনি নোটিসে এই ঘটনাকে ‘অবৈধ ও আইন-বহির্ভূত শাস্তি’ বলে উল্লেখ করে এমসিসি জানিয়েছে, সংবিধানে বর্ণিত জীবন, স্বাধীনতা ও মর্যাদার মৌলিক অধিকার এক্ষেত্রে পুলিশ লঙ্ঘন করেছে। এমসিসি কনভেনর মুজাহিদ নাফিসের অভিযোগ, যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ওই পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশ নিজেই আইন মানছে না। কাউকে প্রকাশ্যে মারধর করার অধিকার পুলিশকে কে দিয়েছে? ওই নোটিসে এই ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।