সংবাদদাতা, বসিরহাট: পণের দাবিতে এক বধূকে শ্বাসরোধ করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্বামীকে আটক করেছে পুলিস। গাইঘাটা ব্লকের পাঁচপোতা বাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সরোজ মল্লিকের বছর তেইশের কন্যা কেয়া মল্লিকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল স্বরূপনগর থানার পূর্বপুলতা গ্রামের বাসিন্দা রাজু মণ্ডলের। বিয়ের পর থেকেই সোনার হার দেওয়ার জন্য কেয়ার উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল স্বামী ও তাঁর পরিবারের লোকজন। বিষয়টি কেয়া মোবাইলে বাবাকে সব কিছু বিস্তারিত জানায়।
Advertisement
এরপর সোমবার গভীর রাতে ঘরের ভিতর কেয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান রাজুর পরিবারের লোকেরা। তাঁরা খবর দেন কেয়ার বাপের বাড়িতে। এরপর স্বরূপনগর থানার পুলিস কেয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে শাড়াপুল গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিস। মৃত কেয়া মল্লিকের বাবা সরোজ মল্লিক বলেন, বিয়ের সময়ে যথেষ্ট আসবারপত্র, সোনার গয়না দিয়েছিলাম। কিন্তু একটি সোনার হার দাবি করছিল ছেলের পরিবার। আমি তা না দিতে পারায় আমার মেয়েকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমি চাই ওদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।



