ওয়াশিংটন, ৩ ডিসেম্বর: গাজায় পণবন্দিদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২০ জানুয়ারি ২০২৫-এ, আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। তার মধ্যেই সমস্ত পণবন্দিদের ছেড়ে দিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘আগামী ২০ জানুয়ারি ২০২৫-এর মধ্যে পণবন্দিদের ছেড়ে না দিলে, ফল খুব খারাপ হবে। মধ্যপ্রাচ্য ও মানবতার বিরুদ্ধে এমন নৃশংস কাজের জন্য দায়ীদের গুরুতর সমস্যা হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘যারা সাধারণ মানুষকে পণবন্দি করে রেখেছে ওই সময়ের মধ্যে তাঁদের না ছাড়লে বড়সড় বিপদের মধ্যে পড়বে তারা। এতটাই বড় বিপদ হবে যা তাদের চিন্তারও বাইরে।’ কার্যত ট্রাম্প ঘুরিয়ে হামাসকেই প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসই। তাতে মৃত্যু হয় ১ হাজার ২০৮ জন ইজরায়েলি নাগরিকের। হামলা চালানোর পাশাপাশি পণবন্দিও করা হয় বহু ইজরায়েলিকে। তেল আবিব সূত্রে জানানো হয়, ওই দিনই ২৫১ জন ইজরায়েলিকে পণবন্দি করে হামাস। সেই থেকে গাজাতেই রয়েছে পণবন্দিরা। যদিও তাঁদের মধ্যে অনেকেই মারা গিয়েছেন। মাঝে কয়েকজনকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। তারপরেও গাজায় এখনও ৯৭ জন পণবন্দি রয়েছেন। হামাসের এই বর্বর হামলার প্রতিবাদেই প্যালেস্তাইন জুড়ে যুদ্ধ শুরু করেছে ইজরায়েল। তেল আবিবের স্পষ্ট দাবি, হামাসকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলার পরেই থামবে এই যুদ্ধ। রাষ্ট্রসঙ্ঘ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইজরায়েলের হামলার জেরে এখনও পর্যন্ত গাজায় ৪৪ হাজার ৪২৯ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।



