ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কাকে খুনের ছক কষেছিল ইরাকের এক নাগরিক! আর তাকে এর জন্য প্রশিক্ষণ দিয়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই বড়োসড়ো ষড়যন্ত্র ফাঁসের খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট। মহম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল-সাদি নামে ওই জঙ্গিকে তুরস্ক থেকে আমেরিকায় প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে অনুসারে, মার্কিন হামলায় ইরানের সেনাপ্রধান কাসিম সোলেইমানির মৃত্যুর ‘প্রতিশোধ’ নিতেই ইভাঙ্কাকে খুনের ছক কষে আইআরজিসি। সোলেইমানিকে নিজের ‘মেন্টর’ মনে করত সাদি। সেই সূত্রেই ওই জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দেয় আইআরজিসি। সাদিকে গ্রেপ্তারের সময় তার বাড়ি থেকে ইভাঙ্কার ফ্লোরিডার বাড়ির একটি ‘ব্লু-প্রিন্ট’ও উদ্ধার করা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন ২০২০ সালে ৩ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে দূরনিয়ন্ত্রিত ড্রোন হামলায় সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়। ইরানের সেনাপ্রধানের পাশাপাশি আইআরজিসির বিশেষ বাহিনীরও প্রধান ছিলেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই ঘটনার পরই ইভাঙ্কাকে খুনের ছক কষতে শুরু করে ৩২ বছরের সাদি। ২০২১ সালে সে এক্স হ্যান্ডলেও ইভাঙ্কার বাড়ি ও আশপাশের ম্যাপ পোস্ট করে। ইভাঙ্কাকে মেরে ট্রাম্পের পরিবারেও ‘আগুন জ্বালানো’র বার্তা দেয় সাদি। একইসঙ্গে সে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, মার্কিন গুপ্তচররাও ট্রাম্প-কন্যাকে বাঁচাতে পারবে না। এরপরেও একাধিকবার সে ইভাঙ্কার উদ্দেশে হুমকি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, জঙ্গি সংগঠন কাতাইব হিজবাল্লাহের হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় অন্তত ২০টি হামলা ও হামলার চেষ্টার সঙ্গেও জড়িত ছিল সে। যদিও মার্কিন গোয়েন্দাদের চেষ্টায় ধরা পড়ে সে।