লাহোর: বহু টালবাহানার পর অবশেষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল ঘোষণা করল পাকিস্তান। ১৫ জনের স্কোয়াডে একজন স্পেশালিস্ট স্পিনার। যা দেখে অনেকেই বিস্মিত। ২৬ বছরের আব্রার আহমেদের স্পিনেই ভরসা রেখেছেন পাক নির্বাচকরা। তাও আব্রার খেলেছেন মাত্র চারটি ওয়ান ডে ম্যাচ। তবে এটাই চূড়ান্ত দল নয়। পিসিবি জানিয়েছে, প্রয়োজন পড়লে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দলে পরিবর্তন করা হবে। সায়িম আয়ুব চোটের কারণে নেই। যা পাকিস্তানের কাছে বড় ধাক্কা। তবে ভরসা রাখা হয়েছে ফায়িম আশরফ, ফখর জামান, খুশদিল শাহর উপর। ফখর যদিও শেষ খেলেছিলেন ২০২৩ বিশ্বকাপে। মহম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। তার আগে ত্রিদেশীয় সিরিজেও অংশ নেবেন বাবর আজমরা।
Advertisement
তবে যে ম্যাচের দিকে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া তাকিয়ে, সেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে। এবারের টুর্নামেন্ট হচ্ছে হাইব্রিড মডেলে। টিম ইন্ডিয়া প্রতিটি ম্যাচ খেলবে মরুদেশে। তা নিয়ে পিসিবি এবং বিসিসিআইয়ের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই কারও অজানা নয়। তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বাইশ গজেও। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেল পাকিস্তানের প্রাক্তন উইকেটরক্ষক মঈন খানের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, ‘ইদানীং ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে নামা পাক ক্রিকেটারদের আচরণে আমি বিস্মিত। বিপক্ষ দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে খোশ গল্পে মেতে উঠছে অনেকে। পরখ করছে তাদের ব্যাট। এটা মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন নয়। আমার মতে, পাক ক্রিকেটারদের একটা সীমা মেনে চলা উচিত। মাথায় রাখতে হবে, ক্রিকেটে ভারত আমাদের প্রবল প্রতিপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে খেলা থাকলেই দেশের মানুষের রক্তচাপ বেড়ে যায়। তাঁদের আবেগকে সম্মান করা উচিত। আমাদের সময় এক ইঞ্চি জমি ছাড়তাম না। চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছি। আশা করব, এই প্রজন্মের পাক ক্রিকেটাররাও সেই ধারা বজায় রাখবে। কারণ, দেশের সম্মান সবার আগে।’



