নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পুকুর ভরাটের প্রতিবাদ করায় মহিলার বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ক্লাব সদস্যদের বিরুদ্ধে। মহিলার দুই ছেলেকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নটবর পাল রোডে। আতঙ্কিত মহিলা ব্যাঁটরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাঁটরা থানার চ্যাটার্জিপাড়া মোড়ের কাছে একটি মন্দিরের পিছনে প্রায় সাড়ে তিন কাঠা আয়তনের পুকুর ছিল। অভিযোগ, কয়েক বছরে পুকুরটি ধীরে ধীরে আবর্জনা ফেলে অর্ধেকেরও বেশি ভরাট করে ফেলা হয়েছে। পুকুরের একটি অংশ বুজিয়ে ক’বছর আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছে বসতবাড়ি। মাস দুয়েক আগে পুকুরের সামনের অংশ ভরাট করে টিনের বাড়িও তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ, স্থানীয় ক্লাব কর্তৃপক্ষের মদতে সেখানে ভাড়াটিয়া বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা এগিয়ে না এলেও প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন এলাকারই বাসিন্দা সাগরিকা দলুই। পেশায় আয়া ওই মহিলা স্বামীর মৃত্যুর পর বহু বছর ধরে দুই ছেলেকে নিয়ে থাকেন। সপ্তাহখানেক আগে ক্লাবে গিয়ে পুকুর বোজানোর প্রতিবাদ করলে তাঁর দুই কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে অপহরণের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সাগরিকা দেবীকে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে দুই ছেলের সামনেই রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায় কয়েকজন ক্লাব সদস্যের স্ত্রী। সাগরিকাদেবী ও তাঁর দুই ছেলেকে রীতিমতো হুমকিও দেন তাঁরা। এরপরেই ব্যাঁটরা থানায় ক্লাব সদস্যদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সাগরিকা।
তিনি বলেন, ‘চোখের সামনে ক্লাবের মদতে এলাকার একমাত্র পুকুরটি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। এই ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও প্রতিবাদ করব। কিন্তু আমাকে যেভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাতে আতঙ্কে রয়েছি।’ ক্লাবের সদস্য উদয় খামরুই বলেন, ‘এখানে পুকুর ছিল না। বরাবরই জমিটি নিচু। মন্দিরের ফুল-বেলপাতা ফেলার কারণে তা বুজে গিয়েছে।’ ক্লাবের অন্য সদস্যরা বলেন, ‘মহিলা মিথ্যে কথা বলছেন। ওঁকে মারধর করার প্রশ্নই ওঠে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। মহিলা যাতে নির্বিঘ্নে পরিবার নিয়ে থাকতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুকুরটি বোজানোর ব্যাপারে পুরসভাকে জানানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চোখের সামনে ক্লাবের মদতে এলাকার একমাত্র পুকুরটি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। এই ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও প্রতিবাদ করব। কিন্তু আমাকে যেভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাতে আতঙ্কে রয়েছি।’ ক্লাবের সদস্য উদয় খামরুই বলেন, ‘এখানে পুকুর ছিল না। বরাবরই জমিটি নিচু। মন্দিরের ফুল-বেলপাতা ফেলার কারণে তা বুজে গিয়েছে।’ ক্লাবের অন্য সদস্যরা বলেন, ‘মহিলা মিথ্যে কথা বলছেন। ওঁকে মারধর করার প্রশ্নই ওঠে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। মহিলা যাতে নির্বিঘ্নে পরিবার নিয়ে থাকতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুকুরটি বোজানোর ব্যাপারে পুরসভাকে জানানো হয়েছে।’



