পারথ: চিন মিউজিকে কোহলিদের স্বাগত জানাতে তৈরি পারথ। সবুজ পিচে লাল বলের কারিকুরি সামলানো টিম ইন্ডিয়ার অগ্নিপরীক্ষা। অস্ট্রেলিয়ার পিচে বরাবরই পেসাররা বাড়তি সাহায্য পান। বাড়তি বাউন্স ব্যাটারদের কাজ আরও কঠিন করে দেয়। স্যর ডনের দেশে সাফল্যের রসায়ন অনন্ত প্রতীক্ষা আর ধৈর্য। যে সয় সেই রয়। এখানেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ঘরের মাঠে কিউই স্পিনারদের বিরুদ্ধে যেভাবে উইকেট ছুড়ে দিয়েছে ভারত তা অবশ্যই চিন্তার কারণ। মনে করা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় মুশকিল আসান হতেই পারতেন চেতেশ্বর পূজারার মতো ব্যাটসম্যান। উইকেটে জমে গেলে কার্যত তাঁবু খাটিয়ে ফেলতেন তিনি। অজি বোলাররাও সেকথা বিলক্ষণ মনে রেখেছেন। বুধবার হ্যাজেলউডের মন্তব্য, ‘ওকে প্যাভিলিয়নে ফেরানো সত্যিই কষ্টকর। বারবার পরিকল্পনা বদলাতে হয়। পূজারা না থাকায় আমি বেশ খুশি।’
Advertisement
পূজারা কোনওকালেই মারমুখী নন। বরং লম্বা ইনিংস খেলার একাগ্রতা তাঁর মূলমন্ত্র। ক্যাঙারুর দেশে ২০১৮-১৯ মরশুমে বেশ নজর টানেন তিনি। সেবার ১২৫৮ বল খেলে ৫২১ রান সংগ্রহ করেন পূজারা। তিন বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর পকেটে জমা হয় ২৭১ রান। অপরিসীম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে ৯২৮টি ডেলিভারি খেলেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, মিডল অর্ডার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়লে গার্ড ওয়ালের কাজ করতে পারতেন পূজারা। পরিস্থিতি যা তাতে আসন্ন সিরিজে তাঁর উদাহরণ বারবার উঠে আসতে পারে। হ্যাজেলউড অবশ্য ঋষভ পন্থকে নিয়ে বেশ সতর্ক। তাঁর কথায়, ‘পন্থ দুর্দান্ত ক্রিকেটার। যে কোনও পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘোরানোর ক্ষমতা রাখে।’ শুধু হ্যাজেলউড নন, পারথ টেস্টের আগে মার্নস লাবুশানের গলাতেও পূজারার কথা উঠে এসেছে। গাভসকর-বর্ডার সিরিজে ম্যারাথন ইনিংস খেলতে তৈরি লাবুশানে। তাঁর মন্তব্য, ‘বড় রানের পার্টনারশিপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই উইকেটে টিকে থাকা দরকার।’ খারাপ সময়ে মাটি কামড়ে থাকার পরিচিত রাস্তায় কী ফিরতে পারবেন বিরাটরা?



