Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শহরে পিকনিকের মেজাজ

বছর শেষ হতে বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ইতিমধ্যেই কলকাতা আরও একখানা শীতলতম দিন পেয়ে গেল। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শহরে পিকনিকের মেজাজ
  • ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছর শেষ হতে বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ইতিমধ্যেই কলকাতা আরও একখানা শীতলতম দিন পেয়ে গেল। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকালের চেয়ে প্রায় ২ ডিগ্রি কম। এমন শীতের দিন আবার রবিবার। ফলে, সাধারণ মানুষ এমন দিন উপভোগ করতে এতটুকু কার্পণ্য করেনি। সকাল থেকেই শহরের সমস্ত প্রান্তে চোখে পড়ার মতো ভিড়। ময়দান চত্বরে একসঙ্গে বসে আড্ডা, দলে ভাগ হয়ে গিয়ে খেলা আর খাওয়া-দাওয়া তো আছেই। সব মিলিয়ে একেবারে পিকনিকের মেজাজ।

Advertisement

এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০.৭ ডিগ্রি সেলিয়াস। সায়েন্স সিটি, চিড়িয়াখানা, বিড়লা তারামণ্ডল, ইকো পার্ক, জাদুঘর— সর্বত্র ছিল উপচে পড়া ভিড়। এদিন সকাল থেকেই এই দর্শনীয় স্থানগুলির বাইরে দেখা গিয়েছে টিকিট কাটার লম্বা লাইন। ময়দানের পাশের রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকলে ঠান্ডা হাওয়ায় উড়ছে চুল, কাঁপুনিও দিচ্ছে। এমন কলকাতা শহর বহুদিন দেখেনি সাধারণ মানুষ। তাই ছবি তোলার জন্য টুপি-মাফলার খুলে রাখলেও তা বেশিক্ষণ সরিয়ে রাখা যাচ্ছে না। দুপুরে মৃদু রোদ গায়ে মেখে কমলালেবুর কোয়া মুখে দিয়ে চলল বাঙালির শীতযাপন। হাওড়ার বাগনান থেকে এসেছিলেন পীযূষ কুণ্ডু। বলছিলেন, ‘এমন ঠান্ডা পড়লে বেড়িয়ে মজা। বন্ধু-বান্ধব মিলে কলকাতায় এলাম। সারাদিন ঘুরে, রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাড়ি ফিরব’। অনেকের প্ল্যান আবার একটু অন্য রকম। তরুণ-তরুণীরা অনেকেই আবার ছুটেছেন সিনেমা হলের দিকে।
এমন শীতের দিনে শহরের অলি-গলিতে কাছেপিঠে ঘুরতে যাওয়ার বিজ্ঞপ্তি পড়ে গিয়েছে। বছর শেষে পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে একদিনের জন্য বেড়াতে যাওয়ার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিনও ভোরের দিকে কোলাঘাট, সুন্দরবন, বকখালি সহ নানা এলাকায় শহর থেকে দৌড়েছে পিকনিক পার্টি বোঝাই বাস। পিকনিক যাত্রীদের বক্তব্য, সকলে একসঙ্গে মিলে রান্নাবান্না করে খাওয়ার মজাই আলাদা। এই মজা আর কোনও কিছুতে পাওয়া যায় না। তবে শীতের মজা ঠান্ডা পড়লেই, কাজেই সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, এমন আবহাওয়া যেন থেকে যায়। তাহলে বছরের শেষটা কাটবে আনন্দেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ