Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ট্যাংরায় গাড়ি পার্কিং নিয়ে বচসা জেরে হাতাহাতি, তদন্তে পুলিশ

গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হল ট্যাংরা এলাকার পুলিন খটিক রোড। আক্রান্ত হলেন একই পরিবারের তিনজন। মঙ্গলবার রাত ন’টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে।

ট্যাংরায় গাড়ি পার্কিং নিয়ে বচসা  জেরে হাতাহাতি, তদন্তে পুলিশ
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হল ট্যাংরা এলাকার পুলিন খটিক রোড। আক্রান্ত হলেন একই পরিবারের তিনজন। মঙ্গলবার রাত ন’টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। এদিকে, যাঁদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, তাঁরা পাল্টা অভিযোগ করেছেন ওই পরিবারের বিরুদ্ধে। দুটি কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে ট্যাংরা থানা। তবে ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিন খটিক রোডের বাসিন্দা বিক্রম খটিকের বাড়ি ওই এলাকায়। বাড়ির সামনে রোজ নিজের গাড়ি পার্ক করেন তিনি। অভিযোগ, মঙ্গলবার সেখানে অন্য একটি গাড়ি পার্ক করা ছিল। সেটি স্থানীয় এক বাসিন্দার বলে জানা গিয়েছে। বিক্রমবাবু গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখেন, সেখানে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। সামনে থাকা গাড়িটির মালিককে সেটি সরাতে বলেন। তিনি জানান, অন্য গাড়ি পার্ক থাকায় নিজের গাড়ি রাখতে পারছেন না। এই নিয়ে স্থানীয় ওই বাসিন্দার সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয় বিক্রমবাবুর। পুলিশ জেনেছে, দুপক্ষের মধ্যে তুমুল বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। বিক্রমবাবুর দাবি, সেই সময় পাড়ার ৪০-৫০ জন ছেলে এসে তাঁর পরিবারের উপর লোহার রড ও ব্লেড দিয়ে হামলা চালায়। তাতে তিনি সহ পরিবারের আরও দুইজন আহত হন। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে তাঁদের। বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি ঘটকের অভিযোগ, কেবল মারধরই নয়, তাঁদের বাড়িতে ঢুকেও তাণ্ডব চালিয়েছেন অভিযুক্তরা। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করে দিয়েছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিক্রম খটিকের পরিবার সকলের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তাঁদের বাড়ির সামনে কেউ কিছু রাখলেই চিৎকার শুরু করেন। মারধরের অভিযোগও রয়েছে। গতকালে তাঁদের উপর চড়াও হয়েছে বিক্রমের পরিবার। বিক্রমবাবু ও তার পরিবারের সদস্যরা মারধর করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে আসে ট্যাংরা থানার পুলিশ। দু’পক্ষকেই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিক্রম খাটুয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন। উল্টোদিকে এলাকার বাসিন্দারাও পাল্টা মারধর করার অভিযোগ এনেছেন থানায়। দু’টি কেস রুজু হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ