নয়াদিল্লি: ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী হিংসা। তৎকালীন সময়ে দিল্লির সরস্বতী বিহারে এক বাবা ও ছেলেকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ ওঠে সজ্জন কুমারের বিরুদ্ধে। বুধবার সেই মামলায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদকে দোষী সাব্যস্ত করল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। সাজা ঘোষণা করা হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড ও সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন হতে পারে। প্রসঙ্গত, দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পাঁচ শিখকে হত্যা ও একটি গুরুদ্বার পোড়ানোর ঘটনাতেও দোষী সাব্যস্ত সজ্জন কুমার। সেই অপরাধের সাজা ভোগ করছেন তিনি। তারই মধ্যে সরস্বতী বিহারের ঘটনাতেও দোষী সাব্যস্ত হলেন তিনি।
Advertisement
১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার প্রতিশোধ নিতে ক্রমে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে শিখ বিরোধী হিংসা। অভিযোগ, সেইসময় সজ্জন কুমারের নেতৃত্বে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা যশবন্ত সিং ও তাঁর ছেলে তরুণদীপ সিংয়ের উপর হামলা চালায়। দিল্লির সরস্বতী বিহার এলাকায় প্রথমে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরের দিকে বাবা-ছেলে দু’জনকেই পুড়িয়ে মারা হয়। বুধবার সেই খুনের মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদকে।



