নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একাধিক বাংলা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেখে মধ্যমগ্রামে নির্মীয়মাণ ফ্ল্যাট কিনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে প্রতারণার শিকার হলেন দমদমের বাসিন্দা শোভন বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে তাঁর প্রায় ২১ লক্ষ টাকা খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।
Advertisement
বালিগঞ্জ থানার দায়ের করা অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫ সালে গোড়ার দিকে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেখে মধ্যমগ্রামের নির্মীয়মাণ একটি আবাসনের ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন দমদমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি। গ্যারাজ সহ দুই বেড রুমের ফ্ল্যাট বুক করার পাশাপাশি তিনি হোম লোন নিয়ে ওই প্রোমোটার গ্রুপকে মোট প্রায় ২১ লক্ষ টাকা মেটান।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করতে পারেনি প্রোমোটার গ্রুপ। ঘটনার পর ৯ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অভিযোগ, বারবার তাগাদ দিলেও ফ্ল্যাটের দাম বাবদ মেটানো ২১ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছে না ওই প্রোমোটার গ্রুপ। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরেই দমদমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি সম্প্রতি প্রোমোটার গ্রুপের বিরুদ্ধে স্থানীয় বালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যার ভিত্তিতে প্রতারণা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিস। পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বালিগঞ্জ থানা মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে। এজন্য পুলিস অভিযুক্ত প্রোমোটার গ্রুপের কর্তাদের বক্তব্য জানতে তাঁদের তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করতে পারেনি প্রোমোটার গ্রুপ। ঘটনার পর ৯ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অভিযোগ, বারবার তাগাদ দিলেও ফ্ল্যাটের দাম বাবদ মেটানো ২১ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছে না ওই প্রোমোটার গ্রুপ। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরেই দমদমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি সম্প্রতি প্রোমোটার গ্রুপের বিরুদ্ধে স্থানীয় বালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যার ভিত্তিতে প্রতারণা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিস। পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বালিগঞ্জ থানা মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে। এজন্য পুলিস অভিযুক্ত প্রোমোটার গ্রুপের কর্তাদের বক্তব্য জানতে তাঁদের তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।



