নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সোমবার থেকে হাওড়া জেলায় শুরু হল ফাইলেরিয়াসিস প্রতিরোধক কর্মসূচি। মশাবাহিত রোগ ফাইলেরিয়াসিস বা গোদ প্রতিরোধে এবার জেলার দু’টি পুরসভা ও চারটি ব্লকের বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওষুধ দেবে জেলার স্বাস্থ্যদপ্তর। সোমবার হাওড়ার শরৎসদনে জেলা স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কর্তাদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাইলেরিয়া প্রতিরোধক কর্মসূচি শুরু করা হয়।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া ও বালি পুরসভা এবং পাঁচলা, সাঁকরাইল, ডোমজুড় ও বালি-জগাছা ব্লক মিলিয়ে এই মুহূর্তে জেলায় ফাইলেরিয়াসিসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ জন। বাকি কোনও ব্লকে এই সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এইসব এলাকায় ফাইলেরিয়াসিস প্রতিরোধ কর্মসূচি একশো শতাংশ দ্রুত সম্পূর্ণ করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৮ লক্ষ ৬৯ হাজার বাসিন্দাকে ওষুধ বিতরণ করা হবে। শুধুমাত্র গর্ভবতী মহিলা, দুই বছরের কমবয়সি শিশু ও দুরারোগ্য ব্যাধির রোগীদের এই ওষুধ দেওয়া হবে না। প্রথম পর্বে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত আশাকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অ্যালবেনডাজল ও ডাই ইথাইল কার্বামাজিন নামের দু’টি করে ওষুধ দেবেন। দ্বিতীয় পর্বে ৭ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ক্যাম্পের মাধ্যমে ওষুধ বিতরণ করা হবে। এদিন শরৎসদনে ফাইলেরিয়াসিসের ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পি দীপাপ্রিয়া, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ কিশলয় দত্ত, হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী প্রমুখ। এদিন তাঁরাও ফাইলেরিয়ার ওষুধ সেবন করেন।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে ফাইলেরিয়াসিসমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। হাওড়ার পাশাপাশি দুই দিনাজপুর, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ ১১ জেলায় এই কর্মসূচি চলবে। গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করে ফাইলেরিয়াসিসের ওষুধ সেবন করানোর বিষয়টি আমাদের স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে চ্যালেঞ্জের।’ সেজন্য কেন ফাইলেরিয়াসিস প্রতিরোধে ওষুধ সেবন করা উচিত, তা নিয়ে ট্যাবলোর মাধ্যমেও সচেতনতার প্রচার চলবে। প্রসঙ্গত, ফাইলেরিয়াসিস মূলত পরজীবী সংক্রমণ, যা মশার কামড়ে শরীরের লিমফ্যাটিক তন্ত্র বা ত্বকের নীচের টিস্যুর ক্ষতি করে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন রোগী। গত কয়েক দশকে হাওড়া শহরে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা না গেলেও গত জানুয়ারি মাসের শেষ থেকে হাওড়া শহরে পাঁচ স্কুল পড়ুয়ার মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়ে।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে ফাইলেরিয়াসিসমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। হাওড়ার পাশাপাশি দুই দিনাজপুর, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ ১১ জেলায় এই কর্মসূচি চলবে। গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করে ফাইলেরিয়াসিসের ওষুধ সেবন করানোর বিষয়টি আমাদের স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে চ্যালেঞ্জের।’ সেজন্য কেন ফাইলেরিয়াসিস প্রতিরোধে ওষুধ সেবন করা উচিত, তা নিয়ে ট্যাবলোর মাধ্যমেও সচেতনতার প্রচার চলবে। প্রসঙ্গত, ফাইলেরিয়াসিস মূলত পরজীবী সংক্রমণ, যা মশার কামড়ে শরীরের লিমফ্যাটিক তন্ত্র বা ত্বকের নীচের টিস্যুর ক্ষতি করে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন রোগী। গত কয়েক দশকে হাওড়া শহরে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা না গেলেও গত জানুয়ারি মাসের শেষ থেকে হাওড়া শহরে পাঁচ স্কুল পড়ুয়ার মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়ে।



