Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

লক্ষাধিক টাকায় পিএইচই-র গাছ কেটে বিক্রি, দেগঙ্গায় অভিযুক্ত গার্ড

কথায় আছে রক্ষকই ভক্ষক! পিএইচই-র পানীয় জল প্রকল্পের অফিসে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল গার্ড

লক্ষাধিক টাকায় পিএইচই-র গাছ কেটে বিক্রি, দেগঙ্গায় অভিযুক্ত গার্ড
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কথায় আছে রক্ষকই ভক্ষক! পিএইচই-র পানীয় জল প্রকল্পের অফিসে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল গার্ড। কিন্তু সেই গার্ডের বিরুদ্ধেই অফিসের গাছ বেআইনিভাবে কেটে পাচার করার অভিযোগ উঠল। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক কোনও নিয়মকেই তিনি তোয়াক্কা করেননি বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেগঙ্গার সোহাই-শ্বেতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মির্জাপুর এলাকায়।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মির্জাপুর এলাকায় কয়েক বছর আগে একটি পিএইচই দপ্তরের পক্ষ থেকে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ইউনিট তৈরি হয়েছে। কয়েক হাজার বাড়িতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পানীয় জল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয় এখান থেকেই। সরকারিভাবে এখানে গার্ড হিসাবে রয়েছেন রথীন পাইক। আর রয়েছেন বেশ কয়েকজন অপারেটর। অভিযোগ, নীল-সাদা রংয়ের পাঁচিল ঘেরা পিএইচই-র জায়গাতে ছিল বেশ কিছু দামি গাছ। সোমবার রথীনের নির্দেশে সেই গাছ কাটা হচ্ছিল বলেই অভিযোগ। সরকারি জায়গায় লক্ষাধিক টাকার গাছ কাটা নিয়ে অবাক হন এলাকার মানুষ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য গাছ কেটে নিয়ে যেতে পারেনি বরাত পাওয়া ঠিকাদার। গাছ কাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা বলেন, গার্ড রথীন পাইকের কথামতোই গাছ কেনা হয়েছে। তাই এদিন গাছগুলি কাটছি। এত নিয়ম জানি না। এদিকে, অপারেটর মধুমিতা মণ্ডল, বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা এনিয়ে কিছুই জানি না। এর জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গাছ কাটা হচ্ছে বলেই আমাদের ধারণা। সরকারি গাছ কাটতে বনদপ্তরের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেই আমরা জানি। পঞ্চায়েত প্রধান ইত্তেসাম খাতুন বলেন, গাছ কাটা নিয়ে আমার কাছে কেউ কোন অনুমতি নেয়নি। তাই আমি আইনত ব্যবস্থা নেব। 
অভিযুক্ত রক্ষককে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ