সংবাদদাতা, বনগাঁ: মতুয়াগড় গাইঘাটায় মূলত তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীর লড়াই। একদিকে মতুয়া ঘরের ছেলে তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস। অন্যদিকে, ঠাকুর বাড়ির সদস্য বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর। গত পাঁচ বছর সুব্রত ঠাকুর এলাকার বিধায়ক থাকলেও প্রচারে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষের সঙ্গে পাঁচ বছর সেভাবে জনসংযোগ না থাকা। অন্যদিকে, এই বিষয়টিকে নির্বাচনের অন্যতম হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। গত পাঁচ বছরে বিজেপি বিধায়ককে এলাকায় দেখা যায়নি বাসিন্দাদের এই অভিযোগ হাতিয়ার করে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। যা ভোট প্রচারে বড়ো পাওনা।
২০২১ সালে গাইঘাটা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর। এবারও তাঁকে প্রার্থী করেছে দল। গত বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও নরোত্তম বিশ্বাসের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও এবার জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী তৃণমূল প্রার্থী। প্রচারে বেরিয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। প্রার্থীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে শামিল হতে এবার তাঁর উপর ভরসা রাখবেন গাইঘাটার বাসিন্দারা। তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস বলেন, প্রচারে বেরিয়ে মানুষের যথেষ্ট সাড়া মিলছে। বিদায়ী বিধায়ককে এলাকায় পাননি বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। অন্যদিকে, বিদায়ী বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ বাসিন্দাদের। প্রচারে বেরিয়ে তাঁকে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, আমাদের ভোটে জয়ী হলেও গত পাঁচ বছরে বিধায়ককে এলাকায় দেখা যায়নি। তাঁর হাত ধরে এলাকায় উন্নয়ন হয়নি বললেই চলে। এবিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, তৃণমূল কখনও বিজেপি বিধায়ককে দেখতে পাবে না। ওরা চোখে কালো চশমা পরে থেকে। ওই চশমা দিয়ে ভালো কিছু দেখা যায় না।