Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফেস্টিভ মুড অন, তৃতীয়ার সন্ধ্যাতেই মণ্ডপমুখী মানুষ, ব্যাপক ভিড় দোকানে

সন্ধ্যা সাতটায় বহরমপুরের পুরাতন কান্দি বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গির্জা মোড় পর্যন্ত তুমুল যানজট। একদিকে পুজোর বাজারের ভিড়। অপরদিকে তৃতীয়া থেকেই মণ্ডপমুখী মানুষ।

ফেস্টিভ মুড অন, তৃতীয়ার সন্ধ্যাতেই মণ্ডপমুখী মানুষ, ব্যাপক ভিড় দোকানে
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সন্ধ্যা সাতটায় বহরমপুরের পুরাতন কান্দি বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গির্জা মোড় পর্যন্ত তুমুল যানজট। একদিকে পুজোর বাজারের ভিড়। অপরদিকে তৃতীয়া থেকেই মণ্ডপমুখী মানুষ। মাঝেমধ্যে কয়েক পশলা বৃষ্টিতে তাপমাত্রা নামতেই তৃতীয়ার সন্ধ্যা থেকে পুজো মুড অন নবাবি মুলুক। 

Advertisement

মহালয়াতেই বেশকিছু দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হয়েছে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে মণ্ডপের কাজ যেটুকু বাকি ছিল, তা গত দু’ দিনে সম্পূর্ণ হয়েছে।  মুর্শিদাবাদ উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অনেকে। পাশাপাশি পুজো মণ্ডপে ঢুঁ মারছেন যুবক-যুবতীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ জেলার ছ’টি পুজোর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুর বাঘাযতীন ক্লাব, সৈদাবাদ কুহেলী সঙ্ঘ, জলঙ্গির গৌরীপুর সর্বজনীন, ডোমকল পিটি রসুলপুর সর্বজনীন, আজিমগঞ্জের ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন ক্লাবের শারদ উৎসবের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। 
সৈদাবাদ কুহেলী সঙ্ঘর পূজো মণ্ডপে হাজির ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, জেলার পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ প্রমুখ। ওই পুজোর উদ্যোক্তা সুরজিৎ সরকার বলেন, জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা এদিন আমাদের পুজো মণ্ডপে এসেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী পুজোর উদ্বোধন করেছেন। এলাকাবাসী খুবই আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত। এ বছর আমাদের পুজো মণ্ডপে বাল্যবিবাহ এবং নারীদের প্রতি অত্যাচার বন্ধের জন্য বিশেষ বার্তা দেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াবে। শহরের একদম শেষ প্রান্তে আমাদের পুজো। তা সত্ত্বেও লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় করে। এদিন থেকেই পুজো মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হল। 
বহরমপুরের পুরাতন কান্দি বাস স্ট্যান্ড এলাকার এক বস্ত্র ব্যবসায়ী কমল পোদ্দার বলেন, রাস্তার উপরে আমাদের দোকান কিন্তু তা সত্ত্বেও খুঁজে ভালো বিক্রি হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বৃষ্টি নামছে সেটা নিয়ে একটু আতঙ্ক হচ্ছে ঠিকই, তবে তৃতীয়ার সন্ধ্যাতেও দোকানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। 
হরিদাসমাটি এলাকার বাসিন্দা কল্পনা দাস বলেন, প্রতিবছর শেষের দিকে বাজার করি। শনি-রবিবার বাজারে যা ভিড় হয়, তাতে বাজারে আসতে পারব না। 
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাজারে এসেছি। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও পুজোর বাজার শেষ হয়নি। দোকানে এত ভিড় যে, জিনিসপত্র দেখে কিনতে সময় লাগছে।

সম্পর্কিত সংবাদ